• Home
  • জেলার খবর
  • “ভবানীপুর থেকে আমিই জিতব” চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন মমতা

“ভবানীপুর থেকে আমিই জিতব” চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন মমতা

Image

দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: শনিবার প্রকাশ্যে এসেছে এসআইআরের অসমাপ্ত চূড়ান্ত তালিকা এবং তাতে বাদ পড়েছে প্রায় ৬৪ লক্ষ নাম। পাশাপাশি,   বিচারাধীনের সংখ্যাও প্রচুর। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গড় ভবানীপুর থেকে বাদ পড়েছে প্রায় ৪৭ হাজার নাম। এবার তা নিয়েই সোমবার মুখ খুললেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তাঁর সাফ কথা, আসন্ন ভোটে এসআইআরের প্রভাব পড়বে না তৃণমূল কংগ্রেসের উপর। শুধু তাই নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এও দাবি করেন যে ভবানীপুর থেকে তিনিই জিতবেন।

জাতীয় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নাম না নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে ভোটারদের নাম মুছে ফেলার অভিযোগ তোলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “দেশের সংবিধান ও সাধারণ মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার বিপদে। সমস্যায় পড়েছেন তাঁরা। পক্ষপাতদুষ্ট কমিশন।” ভবানীপুর থেকে নাম বাদ যাওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ভবানীপুর একটা ছোট কেন্দ্র। সেখানে ভোটারের সংখ্যা মাত্র ২ লক্ষ ৬ হাজার। সেখানে প্রথমে ৪৪ হাজার এবং পরে আরো ভোটার বাদ দেওয়া হয়েছে। তাহলে থাকলো কোথায় ভোটার। লড়াই করেছি আমি। ভবানীপুরে আমিই জিতবো। একটা ভোটে হলেও জিতব। আছে সেই ভরসা ও বিশ্বাস।”

বিএলও ও ইআরওদের পাশেও দাঁড়ান তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, “চার মাস ধরে কাজ করেছে বিএলও ও ইআরও। এখানে আছেন একজন যিনি তাঁদের উপর দায় চাপাচ্ছেন।” এরপরই মাইক্রো অবজারভারদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “নাম মুছে দেওয়া হয়েছে দিল্লির বিজেপির পার্টি অফিসে বসে তাদের সঙ্গে।” আন্ডার অ্যাডজুডিকেশনের সংখ্যা নিয়েও গেরুয়া শিবির ও কমিশনকে আক্রমণ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জীবিত সত্বেও নাম বাদ পড়াদের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, “বলছি না আমি কোনও সম্প্রদায়ের কথা। তাঁরা সাধারণ মানুষ, যাঁদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। কোনও ভুল নেই তাঁদের। যাবতীয় কাগজ জমা দিয়েছেন। তারপরও বাদ পড়েছে।” এর জেরে যে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে, সেই প্রসঙ্গ তুলে কমিশনকে আক্রমণ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর প্রশ্ন, “কাঁদের ভুল এটা?”

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন এই অভিযোগও তোলেন যে কমিশন নির্বাচনের আগে ভোট করিয়ে নিতে চাইছে, কিন্তু এই নির্যাতন বরদাস্ত করবে না রাজ্যবাসীরা। তিনি বলেন, “নির্বাচন করাতে চাইছে বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দিয়ে। এর জবাব দেবে রাজ্যের মানুষ। গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে লড়াই করতে পারছে না ওরা (বিজেপি)। তাই কাজ করাতে চাইছে পক্ষপাতদুষ্ট সংস্থাকে দিয়ে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top