দেবজিৎ মুখার্জি: রাত পোহালেই আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের অন্তিম পরীক্ষা দিতে নামবে সূর্যকুমার যাদব নেতৃত্বাধীন টিম ইন্ডিয়া। তবে এই ম্যাচের আগে সাংবাদিকদের স্কাই পরিষ্কার করে দিলেন যে চাপ থাকলেও তাঁরা বিষয়টি সহজ রাখতে চান। অর্থাৎ এতদিন যেভাবে খেলে এসেছেন, সেভাবেই আগামীকাল খেলবে দল। পাশাপাশি তিনি এও জানান যে শান্ত থাকা বড় উপায় চাপ সামলানোর। মিচেল স্যান্টনারের দেওয়া হুঁশিয়ারি নিয়ে এমনটা বললেন তিনি।
স্কাই বলেন, “এটা অস্বীকার করার কোন জায়গা নেই যে চাপ অবশ্যই থাকবে। তবে মজাও নেই যদি চাপ না থাকে। আমরা সহজ রাখতে চাই বিষয়গুলি। যেভাবে এতদিন খেলেছি, সেভাবেই খেলতে চাই। শান্ত থাকা হল চাপ সামলানোর সবচেয়ে বড় উপায়।” তাঁর সংযোজন, “কঠিন পরিস্থিতির জন্য নিজেকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করতে হয় অনুশীলনের সময়েই। চাপ সামলানো সহজ হয়ে যায় যদি অনুশীলনে সেই পরিস্থিতির মোকাবিলা করা যায়।”
ফাইনালে কত রান দরকার লড়াই করার জন্য, সেই প্রশ্ন করা হলে স্কাই বলেন, “পিচ অনুযায়ী খেলব। ২০০ থেকে ২৫০ ভালো স্কোর হতে পারে। কিন্তু উইকেটের উপর সবটা নির্ভর করবে।” তরুণ ক্রিকেটারদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “খুব বেশি নির্দেশ দিই না ক্রিকেটারদের। স্বাধীনতা দিই তাদের। যেভাবে ওরা বিভিন্ন স্তরের ক্রিকেটে সফল হয়েছে, সেভাবে ওদের খেলতে বলি। অবশ্যই একটা আলাদা আবেগ রয়েছে দলের জার্সির। কিন্তু সবার আগে প্রয়োজন নিজের স্বাভাবিক খেলা খেলাটা।” পাশাপাশি, তিনি এটাও দাবি করেন যে দলের কাছে প্রয়োজনীয় বুমরাহ, পাণ্ডিয়া, অক্ষরের মতো ক্রিকেটারদের অভিজ্ঞতা।
ড্রেসিংরুমের পরিবেশ প্রসঙ্গে প্রশ্ন উঠলে স্কাই বলেন, “কঠিন মুহূর্তে হাসি-ঠাট্টা করে পরিবেশ হালকা রাখতে সাহায্য করে ঈশান, আর্শদীপ, শিবম ও অক্ষর। সকলেই উত্তেজিত ফাইনাল নিয়ে। সত্যিই একটা আলাদা অনুভূতি এমন এক দলকে দেশের মাটিতে নেতৃত্ব দেওয়া।”
প্রসঙ্গত, সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বড় হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কিউই অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার। তিনি বলেছেন, “আমাদের আসল লক্ষ্য আহমেদাবাদের দর্শকদের চুপ করিয়ে দেওয়া, তাঁদের মন ভেঙে দিয়ে বিশ্বকাপ জেতা। ছোটখাটো চেষ্টাগুলোও করুন ট্রফি জেতার জন্য। কিছু হৃদয় ভাঙতে হলেও সমস্যা নেই।” কিউই অধিনায়কের এমন মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতেই চাপ নিয়ে এমনটা বলেছেন স্কাই। এবার দেখার বিষয় যে আগামীকাল ১৪০ কোটি ভারতবাসীর মুখে হাসি ফোটাতে পারেন কিনা সূর্যকুমার যাদব ও তাঁর বাহিনী।



By














