• Home
  • জেলার খবর
  • “করজোড়ে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি” ভাগীরথী মন্তব্য নিয়ে হিন্দুদের থেকে ক্ষমা চাইলেন হুমায়ুন

“করজোড়ে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি” ভাগীরথী মন্তব্য নিয়ে হিন্দুদের থেকে ক্ষমা চাইলেন হুমায়ুন

Image

দেবজিৎ মুখার্জি, মুর্শিদাবাদ: শনিবার বেলডাঙায় জেইউপির মহাসমাবেশ থেকে, ভাগীরথীতে ভাসিয়ে দেওয়ার হুমকি মন্তব্যের জন্য, হিন্দুদের কাছে ক্ষমা চাইলেন দলের প্রধান হুমায়ুন কবির। উপস্থিত সকলের সামনে জানান যে এমন মন্তব্যের জন্য তিনি অনুতপ্ত। শুধু তাই নয়, এর সঙ্গে তিনি এই প্রতিশ্রুতিও দেন যে ভবিষ্যতে এমন উস্কানিমূলক কথাবার্তা আর বলবেন না। যদিও কি কারণে তখন তিনি এই মন্তব্য করেছিলেন, তাও জানান মহাসমাবেশ থেকে।

হুমায়ুন কবির বলেন, “সেদিন মনে আঘাত পেয়েছিল হিন্দু ভাইরা। লক্ষ লক্ষ মানুষের সামনে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি আমি করজোড়ে।” এদিনও তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করা থেকে পিছিয়ে এলেন না। তিনি তৃণমূল সুপ্রিমোকে মিথ্যাবাদী দিলেন। হুমায়ুন কবির বলেন, “ভবিষ্যতে আর আমি মিথ্যাবাদী মুখ্যমন্ত্রীর কথায় উস্কানিমূলক বা সাম্প্রদায়িক কথাবার্তা বলবো না।”

যদিও কি কারনে সেইদিন হুমায়ুন কবির এমন কথাবার্তা বলেছিলেন, তাও তিনি তুলে ধরেন। জেইউপি প্রধান বলেন, “বহরমপুরের মানুষ ইউসুফ পাঠানকে ভোট দিয়েছে অধীর চৌধুরীর বিরুদ্ধে। তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাকে নির্দেশ দিয়েছিল ইউসুফকে জেতানোর জন্য। উনি যে নির্দেশ দিয়েছিলেন, তা পালন করার জন্য কিছু কথা বলেছিলাম আমি।”

তাঁর ব্যাখ্যা, “উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ আমাকে দাঙ্গাবাজ বলেছিল আমার বুকের উপর দাঁড়িয়ে। আমাকে সিধা করে দেওয়ার কথা বলেছিল উল্টো করে টাঙিয়ে। আমার হয় কোনও কথা বলেননি জেলার কোনও তৃণমূল নেতা। তাই পাল্টা জবাব আমার তরফ থেকেই দেওয়া হয়েছিল। আমি বলেছিলাম যে আপনি যদি সোজা করতে চান উল্টো করে, তাহলে আপনার বিজেপি করা হিন্দুদের ভাগীরথীর জলে ঝাঁপ দেওয়া করাবে আমি ঘন্টা দুয়েকের মধ্যে নির্দেশ দিলে। এই মন্তব্যের জন্য আমি দুঃখিত ও অনুতপ্ত।”

উল্লেখ্য, এই মুহূর্তে হুমায়ুন কবির বঙ্গ রাজনীতির অন্যতম আলোচনার বিষয়। দল থেকে সাসপেন্ড হওয়ার পর তিনি নিজের দল খোলেন এবং লাগাতার আক্রমণ করে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ গোটা তৃণমূল কংগ্রেসকে। যদিও বর্তমানে তিনি জোটসঙ্গী খুঁজছেন। সম্প্রতি, সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহাম্মদ সেলিমের সঙ্গে তাঁর বৈঠক ঘিরে তৈরি হয়েছে জোড় বিতর্ক। যদিও সেলিম নিজের অবস্থানে গোটা বিষয়টি পরিষ্কার করে দিয়েছেন। আগামীদিনে যদিও দুই দল এক হয়ে ভোটের ময়দানে নামে কিনা, সেটা কয়েকদিনের মধ্যেই জানা যাবে বলে মনে করছে বঙ্গ রাজনৈতিক মহল।

Releated Posts

জয় নিয়ে আশাবাদী হলেও কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে ভিন্নমত শওকত-নওশাদের

জয় নিয়ে আশাবাদী হলেও কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে ভিন্নমত শওকত-নওশাদের

ByByDebojit Mukherjee Apr 30, 2026

জামিনের আবেদন খারিজ মোফাক্কেরুল সহ ৫২ জনের

বৃহস্পতিবার এনআইএ বিশেষ আদালতের তরফ থেকে খারিজ করে দেওয়া হয় মোফাক্কেরুল ইসলাম সহ মোট ৫২ জন অভিযুক্তের জামিনের…

ByByDebojit Mukherjee Apr 30, 2026

দ্বিতীয় দফার শেষে কমিশনে জমা পড়েছে ৭৭টি বুথে পুনর্নির্বাচনের আবেদন

তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এখানেই যে সবকটি দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার এবং বেশিরভাগই তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লোকসভা…

ByByDebojit Mukherjee Apr 30, 2026

কত আসন পাবে তৃণমূল? বড় ভবিষ্যদ্বাণী ফিরহাদের

তিনি বলেন, “আমার মনে হয় তৃণমূল কংগ্রেস ২০২ থেকে ২২৫ আসনের মধ্যে পাবে। দল চতুর্থবার ক্ষমতায় আসবে।” পাশাপাশি,…

ByByDebojit Mukherjee Apr 30, 2026

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top