• Home
  • খেলা
  • “বেশি বললে ওর সন্দেহ তৈরি হবে” অভিষেকের ফর্ম নিয়ে বললেন সীতাংশু কোটাক

“বেশি বললে ওর সন্দেহ তৈরি হবে” অভিষেকের ফর্ম নিয়ে বললেন সীতাংশু কোটাক

Image

দেবজিৎ মুখার্জি: এই মুহূর্তে টিম ইন্ডিয়ার মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছেন দলের তরুণ তারকা ওপেনার অভিষেক শর্মা। ব্যাট হাতে তিনি চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এখনো পর্যন্ত সেভাবে জ্বলে উঠতে পারেননি। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে শূন্যের খরা কাটিয়ে রান পেলেও বেশিক্ষণ টিকে থাকতে পারেননি ক্রিজে। বিস্তারিতভাবে বলতে গেলে, অতি কষ্ট করে ১৫ রান করেছেন তিনি। রীতিমত হাবুডুবু খেতে দেখা গিয়েছে তাঁকে প্রোটিয়াদের বোলিং বিভাগের সামনে।

এই বিষয়ে নিজের মতামত জানিয়েছেন দলের ব্যাটিং কোচ সীতাংশু কোটাক। কী বক্তব্য তাঁর? তিনি মনে করেন যে হাতে সময় থাকলে কিছু করা যেত। সীতাংশু বলেন, “অভিষেক আগেও আইপিএলে এই পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে গেছে। তবে দুদিনের মধ্যে খুব বেশি পরিবর্তন সম্ভব নয়। যদি হাতে ১৫ দিন মত থাকত, তাহলে কিছু একটা করা যেত। এটা এমন একটা মুহূর্ত, যখন ওকে বলা হবে যত বেশি, তত সন্দেহ তৈরি হবে ওর মনে। এটা অন্তত আমি মনে করি।” 

যদিও অভিষেক একা নন, দলও তেমন দাগ কাটতে পারেনি চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। যদিও সীতাংশু কোটাক তরুণ তারকাকে নিয়েই বলেছেন। তিনি বলেন, “ওকে বলতাম বল দেখে খেলতে সময় নিয়ে। তবে শুধু অভিষেক নয়, যেকোনও ব্যাটার যদি ফর্মে না থাকে, তাহলে তাঁর ঝুঁকি নেওয়া উচিত নয়।” অর্থাৎ তিনি বুঝিয়ে দিলেন যে পদ্ধতি জানলেও দ্রুত সম্ভব নয়। শুধু তাই নয়, এই প্রশ্নও উঠছে যে অভিষেককে আর কত সুযোগ দেবে দল। প্রসঙ্গত, শেষ ৯টি ইনিংসে পাঁচবার শূন্য করেছেন অভিষেক। শেষ ৯টি ইনিংসে তাঁর স্কোর ৮৪, ০, ৬৮*, ০, ৩০, ০, ০, ০, ১৫। 

প্রসঙ্গত, রবিবার ম্যাচটি খেলা হয় আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে। সেদিন টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন প্রোটিয়া অধিনায়ক এডেন মার্করাম। তবে শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয় দক্ষিণ আফ্রিকা। দ্রুত তিনটি উইকেট হারায় তারা। তবে এরপরই একটি অসাধারণ পার্টনারশিপ গড়েন ডেভিড মিলার ও ডেওয়াল্ড ব্রেভিস। এরপর ঝড়ের গতিতে রান করেন ট্রিস্টান স্টাবস। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে তাদের স্কোর দাঁড়ায় ৭ উইকেটে ১৮৭। সর্বোচ্চ ৬৩ রানের ইনিংস খেলেন মিলার। এছাড়া ব্রেভিস করেন ৪৫ এবং স্টাবস অপরাজিত থাকেন ৪৪ রানে। টিম ইন্ডিয়ার বোলারদের মধ্যে তিনটি উইকেট পান বুমরাহ, দুটি আর্শদীপ এবং একটি করে বরুণ ও শিবম।

জবাবে রান তাড়া করতে নেমে ১৯ ওভার শেষ হওয়ার আগেই ১১১ রানে অলআউট হয়ে যায় ভারত। দলের কোন ব্যাটারই ব্যাট হাতে তেমন দাগ কাটতে সফল হননি। সর্বোচ্চ ৪২ রানের ইনিংস খেলেছেন শিবম দুবে। এছাড়া কেউই তেমন ভালো ইনিংস তুলে ধরতে সফল হননি। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ চারটি উইকেট পান মার্কো ইয়ানসেন। এছাড়া তিনটি উইকেট নিজের ঝুলিতে তোলেন কেশব মহারাজ। দুটি উইকেট পান কর্বিন বশ এবং একটি এডেন মার্করাম। ব্যাট হাতে প্রভাবশালী ইনিংস খেলার জন্য ম্যাচের সেরা ঘোষণা করা হয় ডেভিড মিলারকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top