দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: গোলপার্ক অশান্তির ঘটনায় এবার পুলিশ গ্রেফতার করলো আরও ৩ জনকে – সৌগত বসু ওরফে রনি, মিন্টু ভঞ্জ ওরফে মিন্টাই এবং প্রবীর প্রামাণিক ওরফে মামাই। শনিবার সন্ধ্যায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে এখনো পুলিশের জালে ধরা পড়েনি মূল অভিযুক্ত সোনা পাপ্পু। কিন্তু তিন ধৃতই তাঁর অনুগামী বলে খবর। সোনা পাপ্পু একা নন, জালে ধরা পড়েনি বাপি হালদারও।
ঘটনার সুপ্রভাত গত রবিবার সন্ধ্যায়। গোলপার্কের পঞ্চাননতলায় দুই গোষ্ঠীর অশান্তিকে কেন্দ্র করে একেবারে যুদ্ধের ময়দানের রূপ নয় গোটা এলাকা। বিষয়টি এই পর্যায়ে যায় যে শেষ পর্যন্ত গুলি চালানোর পাশাপাশি বোমাবাজি পর্যন্ত হয়। রবীন্দ্র সরোবর থানায় অভিযোগ পর্যন্ত দায়ের করা হয় এবং ঘটনায় নাম উঠে আসে কসবা এলাকার অন্যতম আতঙ্ক সোনা পাপ্পুর।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সোনা পাপ্পুর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক দেবাশীষ কুমার ও মেয়র পারিষদ বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ের। শুধু তাই নয়, স্থানীয় বাসিন্দাদের আরো অভিযোগ, বিধায়ক এবং শাসকদলের জন্যই সোনা পাপ্পুর এত দফরফ। সমগ্র এলাকায় চলছে মাফিয়ারাজ ও সিন্ডিকেট। এরপর একেক করে পুলিশের তরফ থেকে গ্রেফতার করা হয় সোনা পাপ্পুর ডানহাত বাবুসোনা মন্ডল সহ আরো অনেককে। শনিবার আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁরাও নাকি সোনা পাপ্পুর অনুগামী বলে জানা যাচ্ছে।
প্রসঙ্গত, ঘটনার পরই ফেসবুক লাইভ করা হয় সোনা পাপ্পুর তরফ থেকে এবং সেখানে তিনি দাবি করেন, “সোনা পাপ্পুকে অ্যারেস্ট করতে হবে কয়েকদিন ধরে শুনতে পাচ্ছি। কারণ, রবিবার দিন নাকি কোথায় ঝামেলা করেছে সোনা পাপ্পু। সেদিন পূর্ণিমা ছিল আমার বাড়িতে। উপোস করে বসেছিলাম সকাল থেকে। তাহলে কিভাবে ঝামেলা করতে গেলাম?” যদিও তদন্ত করে পুলিশ দাবি করেছে যে তিনি সেখানে না থাকলেও তাঁর উস্কানিতেই ঘটনা ঘটেছে। এবার দেখার বিষয় যে কবে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয় সোনা পাপ্পু।”



By









