দেবজিৎ মুখার্জি: এক বড় রাজনৈতিক মোড়ের সামনে দাঁড়িয়ে বাংলার প্রাক্তন শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। রাজধানীতে একাধিক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক, দীর্ঘ আলোচনা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে কংগ্রেস নেতৃত্বের এবং তার মধ্যেই হঠাৎ হাত শিবিরের তরফ থেকে ডাকা হল জরুরি বৈঠক। বিষয়টি নিয়ে এই মুহূর্তে জোর শোরগোল পড়েছে বাংলা সহ সমগ্র গোটা জাতীয় রাজনীতিতে।
যত ভাঙনের সম্ভাবনা তৃণমূলে চরম হচ্ছে, ততই তাদের সাথে ঘনিষ্ঠতা বাড়ছে কংগ্রেসের। রাজধানী দিল্লিতে পরপর দুদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠক করেছেন হাত শিবিরের শীর্ষ নেতৃত্বের সাথে। প্রথমে সোনিয়া গান্ধী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লম্বা বৈঠক ১০ জনপথে, এরপর রাহুল গান্ধী ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যে প্রায় দেড় ঘন্টার আলোচনা। পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান পরিস্থিতি, তৃণমূল কংগ্রেসের ভবিষ্যৎ এবং নয়া সমীকরণ বিরোধী রাজনীতির নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। শুধু তাই নয়, জল্পনা ছড়িয়েছে যে আলোচনায় উঠে এসেছে তৃণমূল কংগ্রেসকে কংগ্রেসের সাথে মিশিয়ে দেওয়া বা হাত শিবিরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের যোগদানের সম্ভাবনাও।
এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার দিল্লির ইন্দিরা ভবনে কংগ্রেসের তরফ থেকে জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছে। তলক করা হয়েছে দেশের সকল প্রদেশ সভাপতি ও দায়িত্বপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকদের। প্রসঙ্গত, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যখন দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে ছিলেন, ঠিক তখন অন্যদিকে দলের ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদ লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি দিলেন এনডিএর অংশ হতে চেয়ে। বিষয়টি নিয়ে এই মুহূর্তে জোর আলোচনা চলছে বঙ্গ রাজনৈতিক মহলে। তবে সরকারি সূত্র মারফত খবর যে স্পিকার অফিসে কোনও চিঠি জমা পড়েনি।



By










