দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: চলতি বছরে বিধানসভা নির্বাচনে লজ্জাজনক পরাজয়ের মুখোমুখি হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূল। এরপর থেকেই শুরু হয় তাদের দুর্দিন। শুধু তাই নয়, ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গিয়েছে গোটা ঘাসফুল শিবির। সর্ব স্তরেই দেখা যাচ্ছে ভাঙন। এক কথায়, বর্তমানে অস্তিত্ব সংকটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে গোটা দল। অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখাটাই এখন তাদের কাছে একটা বড় চ্যালেঞ্জ।
এই সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে ময়দানে নামতে চাইছে হাত শিবির, ওরফে কংগ্রেস। মঙ্গলবার ২১শে জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে গোটা বছরজুড়ে কর্মসূচির কথা ঘোষণা করা হলে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের তরফ থেকে। কবে ও কোথায় দল কী কর্মসূচি পালন করবে, তা তুলে ধরেন তিনি। বলা ভালো, রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল হয়ে ওঠার জন্য মরিয়া চেষ্টা করতে নামতে চলেছে তারা।
শুভঙ্কর সরকার ১৫ জানুয়ারি থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে একদিন ঠিক করে ব্রিগেড সমাবেশের ডাক দেন, যাতে যোগ দেবেন খোদ কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। আরও একাধিক কর্মসূচির কথা ঘোষণা করা হয় তাঁর তরফ থেকে। তিনি জানান, “৮ থেকে ১৪ আগস্ট হবে শ্যামাপ্রসাদের বিশ্বাসঘাতকতার প্রতিবাদ।” রাজ্যের নানা প্রান্তে নেতাক-র্মীদের পথসভা করতে বলেন তিনি। এছাড়াও তিনি ডাক দেন ভারত ছাড়ো আন্দোলনের। এছাড়া ৯ আগস্ট দিল্লিতে দলীয় নেতা-কর্মীরা যোগ দেবেন রাহুল গান্ধীর ‘ছাত্র কি গুঞ্জ’ কর্মসূচিতে।
১৪ আগস্ট রাত ১২টা নাগাদ জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে শ্রদ্ধানন্দ পার্কে। ১৫ আগস্ট পতাকা উত্তোলন কর্মসূচি প্রত্যেকটি ব্লকে। ২৮ আগস্ট ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করা হবে মহাজাতি সদনে। সম্প্রতি, রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য নাম না করে মন্তব্য করেছেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর বিরুদ্ধে। তার প্রতিবাদ জানাতে দলীয় নেতা-কর্মীদের তরফ থেকে ২৩ জানুয়ারি প্রত্যেকটি ব্লকে ধিক্কার প্রতিবাদ কর্মসূচি করা হবে। এদিকে ৩০ জানুয়ারি কংগ্রেস নেতৃত্ব শ্রদ্ধাজ্ঞাপন কর্মসূচি করবে বেলেঘাটায় গান্ধী ভবনে।



By










