দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: সই জাল কাণ্ডে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি সংলগ্ন সেন্ট্রাল দলীয় কার্যালয়ে সিআইডি তল্লাশিকে প্রতিহিংসা বলে দাবি করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম প্রভাবশালী সাংসদ, তথা বিশিষ্ট আইনজীবী, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। কী বললেন তিনি? তাঁর বক্তব্য, প্রতিহিংসা চরিতার্থ করছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এখানেই শেষ নয়, তিনি তাঁকে স্বৈরাচারী রাজনীতিক পর্যন্ত বলেন।
ভোট-পরবর্তী বঙ্গ রাজনীতি একাধিক ইস্যুতে উত্তপ্ত, যার মধ্যে অন্যতম ‘সই জাল কান্ড’। বিষয়টি জনসম্মুখে আসতেই জোর হইচই পড়েছে বঙ্গ রাজনীতিতে। রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পাশাপাশি, অস্বস্তি আরো বেড়েছে ঘাসফুল শিবিরের। বিষয়টি নিয়ে এই মুহূর্তে রাজনৈতিক তরজাও তুঙ্গে। তৃণমূল কংগ্রেসকে এই ব্যাপারে লাগাতার আক্রমণ করে চলেছে গেরুয়া শিবির।
বর্তমানে ঘটনার তদন্ত করা হচ্ছে সিআইডির তরফ থেকে। তারা তদন্তের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই চাপে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের নানা বিধায়ককে তারা নোটিস দিয়েছে। বাদ পড়েননি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তাঁকে লাগাতার নোটিস পাঠাচ্ছে তারা। তবে এখনো পর্যন্ত তিনি হাজিরা দেননি। কিন্তু যেভাবে লাগাতার বিষয়টিকে কেন্দ্র করে নোটিস পাঠানো হচ্ছে ডায়মন্ড হারবার সাংসদকে, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন জন্মেছে রাজনৈতিক মহলে। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার দুপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি লাগোয়া কেন্দ্রীয় দলীয় কার্যালয়ে তল্লাশি চালাতে আসেন সিআইডির আধিকারিকরা।
তল্লাশির পরেই সেখানে পৌঁছে প্রশ্ন তোলেন কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, “মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী চরিতার্থ করছেন প্রতিহিংসা।” তাঁর দাবি, ইতিমধ্যেই যে তদন্তের কাগজপত্র নিয়ে সিআইডি দেখা করতে বলেছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে, তা দেখতে চালানো হয়েছে এই তল্লাশি। তৃণমূল সাংসদের মতে এই তল্লাশি ভিত্তিহীন। তিনি দাবি করেন যে সিআইডি এসেছে মুখ্যমন্ত্রীকে খুশি করতেই।



By










