দেবজিৎ মুখার্জি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ফের অশান্তির চিত্র উঠে এলো আইএসএফ শাসিত ভাঙর থেকে। ঘাসফুল শিবিরের ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লার গাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবাজির অভিযোগ উঠল আইএসএফের বিরুদ্ধে। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ আধিকারিকদের তরফ থেকেও এলাকায় যাওয়া হয়েছে। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে নওশাদ সিদ্দিকীর তরফ থেকে।
অভিযোগ, পোলেরহাট থানা থেকে সামান্য দূরে বোমা ছোড়া হয় শওকত মোল্লার গাড়িকে নিশানা করে। পুলিশ সূত্র মারফত জানা গিয়েছে যে যেখানে ঘটনাটি ঘটেছে, সেখান থেকে পোলেরহাট থানার পুলিশ দুটি তাজা বোমা ও বোমার সুঁতুলি পেয়েছে। ঘটনার পরই শওকত মোল্লার তরফ থেকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। পুলিশও ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
ঘটনা প্রসঙ্গে শওকত মোল্লা বলেন, “এই কাজ আইএসএফের দুষ্কৃতীদের। পরিকল্পনা করা হয় আমাদের খয়রুলকে হত্যা করার। যখন ও মিটিং করছিল, তারপর লাইট অফ করে দিয়ে হামলা চালানো হয় ওর উপর। এবং আমরা থানায় অভিযোগ দায়ের করে এই ঘটনায়। ফেরার সময় আমার সাথে বহু গাড়ি ছিল এবং তার লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয় এবং বোমা ছোড়া হয়।” অন্যদিকে, নওশাদ সিদ্দিকী বলেন, “যিনি বলছেন তিনিই আক্রমণ করছেন। এলাকে বিষিয়ে ও উত্তপ্ত করে তোলার চেষ্টা করছেন। নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানাচ্ছি এই ঘটনায়।”
প্রসঙ্গত, শনিবার সন্ধ্যায় পোলেরহাট থানা এলাকার দক্ষিণ গাজিপুরে গিয়েছিলেন খাইরুল ইসলাম ও তাঁর সঙ্গীরা সংগঠন সংক্রান্ত কাজের জন্য। তখন অন্ধকার করে আক্রমণ করা হয় খাইরুল ও তাঁর সঙ্গীদের উপর। গাড়ি লক্ষ্য করে ছড়া হয় ইট-পাটকেল। ঘটনায় জখম হন খাইরুল সহ ৪ জন। আইএসএফের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তোলা হয়। খাইরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেছেন, “যেহেতু আমি পোলেরহাটের দায়িত্বে রয়েছি, তাই আক্রমণ করা হয়েছে। এখানে ওদের পায়ের তলার মাটি সরে যাচ্ছে।” নওশাদ সিদ্দিকীর প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “সাংগঠনিক ক্ষমতা কমছে আইএসএফের। তাই সেই ভয় থেকে ওরা আতঙ্কের রাজত্ব চালানোর চেষ্টা চালাচ্ছে।” এবার দেখার বিষয় যে এই ঘটনার জল আর কতদূর গড়ায়।



By










