দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: দেখতে দেখতে পশ্চিমবঙ্গ পেয়ে গেল তাদের নয়া মুখ্যমন্ত্রী। শনিবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে সিএম হিসেবে শপথ নেন শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি, শপথ নেন মন্ত্রিসভার আরো পাঁচজন – দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনিয়া, নিশীথ প্রামাণিক এবং ক্ষুদিরাম টুডু। বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন শুভেন্দু অধিকারী এবং নিজের অবস্থান তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্য, কবিগুরুর চেতনা ও ভাবনাতে বিকাশ হবে বাংলা ও বাঙালির সংস্কৃতির।
শনিবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে শুভেন্দু অধিকারী শপথ নেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সহ দলের বহু প্রভাবশালীদের উপস্থিতিতে। শিশির পুত্রের পর দিলীপ ঘোষ শপথ নেন দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে। এছাড়া শপথ নেন অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনিয়া, নিশীথ প্রামাণিক এবং ক্ষুদিরাম টুডুও। এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানকে ঘিরে আলাদা সাজে সেজে উঠেছিল ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড। মানুষের জমায়েত ছিল দেখার মতো।
শপথগ্রহণের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি নতুন মুখ্যমন্ত্রী এবং নিজের অবস্থান জানান। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “কবিগুরুর চেতনা ও ভাবনাতে বিকাশ হবে বাংলা ও বাঙালির সংস্কৃতির। আজ তারই শুভ সূচনা হলো। রবি ঠাকুরকে প্রণাম জানিয়ে দায়িত্বভার নিলাম পশ্চিমবঙ্গের।” তাঁর সংযোজন, “এখানে আমি বলব না বিতর্কিত কথা। এখন আমি মুখ্যমন্ত্রী। এখন আমি সকলের। শুভবুদ্ধির উদয় আমি চাই।”
প্রসঙ্গত, এবারের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর ও নন্দীগ্রাম, দুই গুরুত্বপূর্ণ আসন থেকেই জয় পেয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। ভবানীপুরে তিনি পরাজিত করেন রাজ্যের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী, তথা তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এরপরই তৃণমূলের সর্বোচ্চ নেত্রী কারচুপির অভিযোগ তোলেন। যদিও গেরুয়া শিবিরের তরফ থেকেও এর পাল্টা দেওয়া হয় তাঁকে সহ গোটা ঘাসফুল শিবিরকে। শনিবার শুভেন্দু অধিকারী শপথ নেন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে। এবার দেখার বিষয় যে রাজ্যবাসীকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি তিনি পূরণ করতে পারেন কিনা। তাঁর আমলে বাংলার পরিস্থিতি আগামীদিনে কেমন হতে চলেছে, তা বলবে সময়।



By










