দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই মুহূর্তে চলছে রাজ্যে জোর রাজনৈতিক তরজা। বিষয়টি জল গড়িয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট পর্যন্তও। এই আবহাওয়ায় প্রাথমিক রিপোর্ট জমা করা হলো দমকল এবং ফরেন্সিকের তরফ থেকে। কী বলা হয়েছে তাতে? রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে যে আগুন মোমো কারখানা থেকে নয়, ছড়িয়েছে পাশের ডেকোরেটার্সের গোডাউন থেকে।
রিপোর্টে বলা হয়েছে, “আগুন প্রথমে লাগে ডেকরেটার্সের গোডাউনের তিনতলাতে এবং চারিদিকের তা ছড়িয়ে পড়ে এরপর। মোমো কারখানাতে সেখান থেকেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। গোডাউন ও মোমো কারখানা ছিল প্রায় ৩৫ হাজার বর্গফুট জায়গায়, যার মধ্যে ৮ হাজার বর্গফুট এলাকায় ছিল মোমো কারখানাটি এবং বাকি জায়গা ধৃত গঙ্গাসাগর ডেকোরেটার্সের কাজে ব্যবহার করতেন।” সূত্র মারফত জানা গিয়েছে যে প্রাথমিক রিপোর্ট জমা পড়া সত্ত্বেও আবার ফরেনসিক ডাকা হতে পারে দরকারে।
প্রসঙ্গত, ঘটনার সূত্রপাত গত রবিবার ভোর রাতে। স্থানীয়দের, প্রায় রাত তিনটে নাগাদ, নজরে আসে আগুনের লেলিহান শিখা। পুলিশ ও দমকলকে খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে হাজির হয় দমকলের বারোটি ইঞ্জিন এবং প্রায় দেড় দিন পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ইতিমধ্যেই মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২০। পুলিশের মতে তা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে দুটি মামলা রুজু করে। সরকারের তরফ থেকে ১০ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন যে তিনি পুলিশের সঙ্গে কথা বলেছেন আমি তোদের পরিবারের সদস্যদেরকে সিভিকে চাকরি দেওয়ার জন্য।



By










