দেবজিৎ মুখার্জি: দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভ চলাকালীন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে একাধিক অশালীন ও কুরুচিকরপূর্ণ মন্তব্য করে পোস্ট করা হয়েছিল সমাজমাধ্যমে। সরকারের তরফ থেকে তাদের যাবতীয় দাবি-দাওয়া মেনে নেওয়ায় আন্দোলন প্রত্যাহার করেছে সিজেপি। তবে প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে যে সমস্ত আপত্তিজনক পোস্ট করা হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়, সেই প্রসঙ্গে কড়া পদক্ষেপ করতে শুরু করা হয়েছে দিল্লি পুলিশের তরফ থেকে।
দিল্লি পুলিশের বক্তব্য, “ইতিমধ্যেই চিহ্নিত করা হয়েছে বেশ কয়েকজনকে। তাদের নোটিসও পাঠানো হয়েছে। তারপরেই চিহ্নিত ভিডিয়ো, মন্তব্য ও পোস্টগুলোর অধিকাংশই সরিয়ে ফেলা হয়েছে ইতিমধ্যে।” এক আধিকারিকের বক্তব্য, “পুলিশের এক দল লাগাতার কন্টেন্ট যাচাই-বাছাই করছে। নোটিস পাঠানো হচ্ছে নতুন কোনও আপত্তিকর বিষয় নজরে এলেই। পাশাপাশি ওই প্ল্যাটফর্মগুলিকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।”
প্রসঙ্গত, প্রায় মাসখানেকের উপর প্রাক্তন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে আন্দোলন চালায় ককরোচ জনতা পার্টি, যা ঘিরে লাগাতার বিরোধীদের কটাক্ষের মুখে পড়তে হচ্ছিল মোদি সরকারকে। তবে বিরোধীদেরও প্রতিনিয়ত পাল্টা দিয়ে গিয়েছিল পদ্ম শিবিরের নেতারা। এই আন্দোলন শুধু দেশের মাটিতেই নয়, বিদেশের মাটিতেও ছড়িয়ে পড়ে। তোলপাড় চলে দেশের নানা প্রান্তে। অবশেষে ইস্তফা দেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে তিনি দাবি করেন, “কিছু দেশ-বিরোধী কুচক্রী ষড়যন্ত্র করছে ছাত্র আন্দোলনের নামে। তারা যাতে কোনওভাবেই সুবিধা তুলতে না পারে পরিস্থিতির, সেজন্যই ইস্তফা আমার। দেশের জন্য আমার এই পদত্যাগপত্র।” এবার কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন প্রহ্লাদ যোশী।



By










