দেবজিৎ মুখার্জি, মুর্শিদাবাদ: “রাজ্যের সব পুরসভাগুলিতে বিভিন্ন অভিযোগ উঠলেই কোনও অভিযোগ নেই বহরমপুর পুরসভায়” শনিবার জেলা কংগ্রেস কার্যালয়ে সাংবাদিক বৈঠকে কটাক্ষ করলেন কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য অধীর রঞ্জন চৌধুরী। কী বক্তব্য তাঁর? তিনি দাবি করেন যে সেখানকার তৃণমূলের পুরসভাকে মদত দিয়ে চলেছে বিজেপির এক ক্ষুদ্র অংশ। যদিও অধীর চৌধুরীর এমন অভিযোগের পাল্টা দেওয়া হয়েছে বিজেপির তরফ থেকে। তাদের বক্তব্য, তিনি দায়িত্বজ্ঞানহীন কথা বলছেন।
প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির বক্তব্য, “গোটা পশ্চিমবঙ্গের সব পুরসভাতে অভিযোগ, নেই একমাত্র বহরমপুর পুরসভাতে। কিন্তু এখানকার সবাই জানে যে চৌর্যবৃত্তি করে বড় হয়েছে এখানকার পুরসভা। বিজেপিও জানে। আমি জানি এক নয় বিজেপির সব নেতা। বিজেপির এক ক্ষুদ্র অংশ তারা কিন্তু দিব্যি মদত দিয়ে চলেছে এখানকার তৃণমূলের পুরসভাকে।” তাঁর সংযোজন, “যাঁদের চাকরি কেড়ে নিয়েছিল, ফেরত দেওয়া হয়নি তাঁদের। যাঁদের মাইনে বন্ধ করে দিয়েছিল, ফেরত দেওয়া হয়নি তাঁদের মাইনে।”
অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলেন, “এই পুরসভাকে বহরমপুর পুরসভা এবং এখানকার নির্দিষ্ট বিজেপি নেতা মিলেমিশে আজও লুট করে চলেছে।” তবে বিজেপিরর বহরমপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি মলয় মহাজনের দাবি, “দায়িত্বজ্ঞানহীন কথা বলছেন অধীর চৌধুরী। উনি নির্দিষ্ট করে বলুন তৃণমূলের সাথে যোগাযোগ রয়েছে কোন নেতার। ব্যবস্থা নেব আমরা।” বহরমপুরে পুরপ্রধান নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায়ের বক্তব্য, “দুর্নীতির অভিযোগ থাকলে উনি জানান জেলাশাসক, পুরমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রীকে।” এবার দেখার বিষয় যে শেষ পর্যন্ত কি হয়। জল আগামীদিনে কতদূর গড়ায়, সেদিকেই এখন নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের একাংশের।



By










