দেবজিৎ মুখার্জি: এই মুহূর্তে জাতীয় রাজনীতির অন্যতম আলোচনার ব্যক্তি বিজেপির নয়া সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। দুদিন আগে তিনি সবচেয়ে অল্পবয়সী সর্বভারতীয় সভাপতি হয়েছেন গেরুয়া শিবিরের। তাঁকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে শুরু করে দলের অন্যান্য শীর্ষ নেতারা অভিনন্দন জানিয়েছেন। দায়িত্ব পেয়ে তিনি নিজেও খুশিপ্রকাশ করেছেন। এমনকি প্রধানমন্ত্রী তাঁকে নিজের ‘বস’এর তকমা পর্যন্ত দিয়েছেন।
নীতিন নবীন বর্তমানে বিহারের বিধায়ক। সর্বভারতীয় সভাপতি পদ পেলেও তিনি কাজ করবেন এক সাধারণ বিধায়ক হিসেবেই। অন্তত এমনটাই জানা যাচ্ছে সুত্র মারফত। মন্ত্রিত্ব ছাড়লেও বিধায়কের পদ তিনি ছাড়বেন না। আসন্ন বাজেট অধিবেশনে তিনি যোগও দিতে পারেন এবং সেক্ষেত্রে তা যদি হয়, তাহলে এক অবিশ্বাস্য ঘটনা ঘটবে। যদি এখনো পর্যন্ত স্পষ্ট নয় যে তিনি যোগ দেবেন কিনা। তবে বিধায়ক পদ ছাড়বেন না বলেই সূত্রের খবর।
আগামী কিছু মাসের মধ্যে বিজেপির তরফ থেকে ৩৫ জনকে পাঠানো হবে রাজ্যসভায়। কিন্তু তাঁদের মধ্যে নীতিনের নাম থাকবে না। বলে রাখা ভালো, অমিত শাহকে যখন নির্বাচিত করা হয় বিজেপি সভাপতি হিসেবে, তখনও তিনি বিধায়ক ছিলেন গুজরাটের। বেশ কয়েকদিন পর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে পাঠানো হয়েছিল রাজ্যসভায়। গেরুয়া শিবির চাইছে নীতিনকে বিহারে দলের মুখ করে তুলতে যাতে আগামীদিনে নীতিশ কুমারের উপর নির্ভর না করে থাকতে হয়। যদিও পরে সিদ্ধান্ত বদলানো হবে।
উল্লেখ্য, নীতিন নবীন সর্বভারতীয় সভাপতি হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, “দলে আমি একজন কার্যকর্তা। এখন নীতিন নবীনই আমার বস। দলের সভাপতি হওয়ার জন্য ওকে অভিনন্দন জানাই। বিজেপিকে শক্তিশালী করার পেছনে দলের সকল প্রাক্তন সভাপতিরই অবদান রয়েছে।”



By













