দেবজিৎ মুখার্জি: আর কিছুক্ষণের মধ্যেই হায়দ্রাবাদের রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে একে অপরের মুখোমুখি হবে হোম টিম সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ ও লখনৌ সুপার জায়েন্টস। যেহেতু এখানকার পিচ ব্যাটিং ফ্রেন্ডলি, তাই ক্রিকেট সমর্থকরা মনে করছেন যে হাই স্কোরিং ম্যাচ হতে পারে।
ফর্মে নেই এলএসজি অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। গত আইপিএলেও ভালো পারফর্ম করেননি তিনি। চলতি আইপিএলে প্রথম ম্যাচে তিনি ওপেন করেছিলেন মার্করাম-মার্শ ওপেনিং জুটির পরিবর্তে। তবে এই ম্যাচে ওপেনিংয়ের ক্ষেত্রে পরিবর্তন দেখা যাবে কিনা, সেটাই এখন দেখার। ওপেনিং জুটি হিসেবে সফল মার্শ-মার্করাম। সুতরাং তাঁদের না সরানোই এলএসজির জন্য ঠিক। দলের সিংহভাগ রানই এসেছে এই ওপেনিং জুটি ও নিকোলাস পুরাণের ব্যাট থেকে। এবার সেই তালিকায় পান্থ যুক্ত হওয়ার অপেক্ষায়। যদি তিনি তিন নম্বরে ব্যাটিং করেন, তাহলে পুরান করবেন চার নম্বরে।
গত ম্যাচ না জিতলেও দুর্দান্ত বোলিং তুলে ধরা হয়েছে মহম্মদ শামি, মহসিন খান, প্রিন্স যাদবদের তরফ থেকে। নকিয়ে অনেকটা রান দিলেও এই ব্যাপারে সন্দেহ নেই যে তিনি একজন বিশ্বমানের বোলার। কিছুক্ষণের মধ্যে শুরু হতে চলা ম্যাচে কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন হতে পারেন এলএসজির বোলাররা। কারণ তাঁদের সামনে থাকবেন হেড, অভিষেক, ঈশান, ক্লাসেন, নীতিশদের মতো মারকুটে ব্যাটাররা।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গত ম্যাচে অভিষেককে ছন্দে ফিরতে দেখা গিয়েছে। পাশাপাশি হেডও মারাত্মক এই ফরম্যাটে। দুই ওপেনারকে দ্রুত প্যাভেলিয়ানে না ফেরাতে পারলে হায়দ্রাবাদ আড়াইশো রানও তুলে দিতে পারে স্কোর। তবে দুই ওপেনারকে তাড়াতাড়ি আউট করে দিলেও পরে যেই ব্যাটাররা রয়েছেন, তাঁরাও ঝড়ের গতিতে রান করতে পারদর্শী। ঠিক তেমনই এলএসজির অন্য সারির ব্যাটাররা রান করতে পারলে ম্যাচ নিঃসন্দেহে জমে যাবে। যদিও বোলিংয়ের ক্ষেত্রে এগিয়ে এলএসজি। গত ম্যাচে দুর্দান্ত বোলিং করেছেন নীতিশ কুমার রেড্ডি। এই ম্যাচেও তাঁকে বল করানো হতে পারে। প্রসঙ্গত, বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে পরাজয়ের মুখ দেখলেও কেকেআরের বিরুদ্ধে জয় পেয়ে টুর্নামেন্টে খাতা খুলেছে হায়দ্রাবাদ। অন্যদিকে এলএসজি প্রথম ম্যাচে পরাজিত হয়েছে দিল্লির বিরুদ্ধে। সুতরাং আজ জেতার জন্য যে তারা মরিয়া হয়ে খেলবে, তা না বললেও বোঝা যায়।



By














