দেবজিৎ মুখার্জি: সম্প্রতি, বাংলা সহ ৫ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করা হয়েছে কমিশনের তরফ থেকে। এই অবস্থায় সমাজমধ্যমে জোরদার প্রচার চালাচ্ছে দলগুলি। এমন পরিস্থিতিতে, সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ার ক্ষেত্রে আরো কঠোর হতে চলেছে কেন্দ্র। ইলেকট্রনিক্স এবং ইনফরমেশন টেকনোলজি মন্ত্রকের পাশাপশি অন্যান্য মন্ত্রকও আগামীদিনে কন্টেন্ট ব্লক করতে পারবে। এমনটারই ইঙ্গিত দিয়েছেন তথ্য এবং সম্প্রচারমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।
অশ্বিনী বৈষ্ণব এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নানা মন্ত্রক থেকে আধিকারিক নিয়ে বিশেষ দল তৈরি করা হয়েছে এবং আপাতত তারা একটি প্রস্তাব তৈরি করছে, যার মূল লক্ষ্য সমাজমাধ্যমে মিথ্যে এবং ক্ষতিকারক কনটেন্ট ব্লক করা। প্রস্তাবে জানানো হবে বিস্তারিতভাবে কিভাবে ব্লক করার ক্ষমতা অন্যান্য মন্ত্রকের হাতেও তুলে দেওয়া যায়। তুমি জানিয়েছেন যে সমাজমাধ্যমে মিথ্যে পোস্ট ঠেকাতে, তা ব্লক করা খুবই দরকার। সেই ক্ষমতা ডিসেন্ট্রালাইজ করলে হার্মফুল কন্টেন্ট ঠেকানো আরও সহজ হয়ে যাবে।
ডিপফেক ভিডিওর প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সমাজমাধ্যমে পাওয়া কন্টেন্টগুলি সাধারণ মানুষ যাচাই না করেই শেয়ার করে বসেন। তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক তা ব্লক করার নির্দেশ দেয় যাচাই করে। অন্যান্য মন্ত্রকের হাতেও যদি এই ক্ষমতা তুলে দেওয়া হয় তাহলে ফেক পোস্ট দ্রুত ধরে ফেলা যাবে এবং অনেকটা কমে যাবে সমাজমাধ্যমে তা ছড়ানো। তিনি আরো জানিয়েছেন যে চেষ্টা করা হচ্ছে যাতে অন্যান্য মন্ত্রকের হাতে পোস্ট ব্লক করার ক্ষমতা তুলে দেওয়া যায় আইটি অ্যাক্ট সংশোধন না করেই।
কিন্তু প্রশ্ন উঠছে যে হার্মফুল কন্টেন্ট ব্লক করার নামে ব্লক করা হবে না তো সরকারের সমালোচনা করা পোস্টগুলি? মনে করা হচ্ছে যে নতুন প্রস্তাবে তেমন গুরুত্ব থাকবে না আইটি অ্যাক্টের। পাশাপাশি, ডিসেন্ট্রালাইজ করা হলে মাত্রাও বাড়বে পোস্ট ব্লক করার। বিনা বাধায় সকল মন্ত্রক সিদ্ধান্ত নিতে পারবে পোষ্টের ব্যাপারে প্রশাসনের নিয়মের অপেক্ষা না করে। পোস্টগুলি পরীক্ষা করা যাবে আরও বেশি করে। প্রশ্ন থাকছে যে মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় বাধা পড়বে না তো সমাজমাধ্যমে?



By













