দেবজিৎ মুখার্জি: ইরান ও ইসরাইল-আমেরিকার যুদ্ধের জেরে চরম ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে দেশের হোটেল ব্যবসায়ীরা। বাণিজ্যিক গ্যাস পাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যার ফলে মঙ্গলবার থেকে বাণিজ্য নগরী মুম্বাইয়ের অন্তত ২০ শতাংশ হোটেল বন্ধ হয়ে যাবে। একই অবস্থা চেন্নাই, বেঙ্গালুরুর মতো বড় শহরগুলিতেও। কেন্দ্রের পদক্ষেপের দাবি করা হয়েছে। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে যে শোধনাগারগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এলপিজির উৎপাদন বাড়াতে।
বেঙ্গালুরুর হোটেল অ্যাসোসিয়েশনের বক্তব্য, ব্যবসায় বড় ক্ষতি হবে যদি গ্যাস সরবরাহ ঠিক না হয়। বেশ কয়েকটি হোটেল বন্ধ করে দেওয়া হবে মঙ্গলবার থেকে। একই বক্তব্য মুম্বই এবং চেন্নাইয়ের হোটেল মালিকদেরও। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখে চেন্নাইয়ের অ্যাসোসিয়েশন বলেছে, অনেক বুকিং বাতিল করা হতে পারে এবং এতে বড় ক্ষতির মুখে পড়বে হোটেলগুলি। প্রধানমন্ত্রীর কাছে পদক্ষেপের আর্জি জানিয়েছে তারা। মঙ্গলবার থেকেই মুম্বাইয়ের ২০ শতাংশ হোটেল বন্ধ করতে চলেছে পরিষেবা। যে খাবারগুলি বানাতে অতিরিক্ত গ্যাস লাগে, বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে তা বানানোও। সেখানে তাড়াতাড়ি বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে হোটেলগুলিও।
হোটেল মালিকদের জাতীয় অ্যাসোসিয়েশনের বক্তব্য, “সরকারের তরফ থেকে নিষেধাজ্ঞা চাপানো হয়নি রেস্তরাঁয় ব্যবহার করা সিলিন্ডার সরবরাহে। কিন্তু অন্য কথা বলছে বাস্তবটা। এই ব্যাপারে অবিলম্বে পদক্ষেপ করতে হবে সরকারকে। জবাব দিতে হবে পুরো পরিস্থিতি নিয়ে।” কেন্দ্র জানিয়েছে, স্কুল ও হাসপাতালগুলিকে প্রাধান্য দেওয়া হবে বাণিজ্যিক গ্যাস সরবরাহের ক্ষেত্রে। অন্য ক্ষেত্রে গঠন করা হয়েছে কমিটি। এবার দেখার যে কিভাবে পরিস্থিতি সামল দেওয়া হয়।



By













