নিউজ ডেস্ক: যাবতীয় বয়কট ড্রামা শেষে টিম ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে খেলতে রাজি হয়েছে পাকিস্তান। রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, কলম্বোতে মুখোমুখি হবে দুই দল। দুই দেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা যে এই মুহূর্তে অপেক্ষায় রয়েছে বল গড়ানোর, তা না বললেও চলে। বলা ভালো, এই ম্যাচকে ঘিরে উন্মাদনা একেবারে চরমে পৌঁছে গিয়েছে। সমাজমাধ্যমেও এই সংক্রান্ত একাধিক পোস্ট দেখা যাচ্ছে এই মুহূর্তে।
তবে রবিবার নামার আগে প্রি-ম্যাচ প্রেস মিটে একটি ইঙ্গিত দিলেন পাকিস্তানের অধিনায়ক সালমান আলি আঘা। কী সেই ইঙ্গিত? হ্যান্ডশেক নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, এবার সেই ব্যাপারেই তিনি দিলেন এক ইঙ্গিত। তাঁর মতে, সর্বদা স্পোর্টসম্যানশিপ স্পিরিট মেনে ক্রিকেট খেলা উচিত। যদিও এর সঙ্গে তিনি এটাও পরিষ্কার করে দেন যে তাঁর ব্যক্তিগত মতামতের কোনও গুরুত্ব নেই।
সালমান আলি আঘা বলেন, “সর্বদা স্পোর্টসম্যানশিপ স্পিরিট মেনে ক্রিকেট খেলা উচিত। তবে আমার ব্যক্তিগত মতামতের কোনও গুরুত্ব নেই। তবে আমি মনে করি যে যেভাবে এত বছর ক্রিকেট খেলা হয়েছে, সেই রীতি মেনে চলাই উচিত। তবে শেষ পর্যন্ত কি করবে, ওদের ব্যাপার সেটা। কি হয় আগামীকাল মাঠেই দেখা যাবে।” অর্থাৎ তিনি বুঝিয়ে দিলেন যে ভারতীয় ক্রিকেটারদের সঙ্গে তাঁর হ্যান্ডশেক করতে কোনও আপত্তি নেই। তবে সবটা তিনি ভারতের উপর ছাড়েন।
প্রসঙ্গত, পহেলগাঁওয়ে ভারতীয় পর্যটকদের হত্যা করার পর যেভাবে ‘অপারেশন সিঁদুর’এর দ্বারা গোটা পাকিস্তানকে একেবারে তছনছ করে দেওয়া হয়েছে, তার আঁচ এসে পড়ে ক্রিকেটেও। এরপর সিনিয়রদের ক্রিকেটে দুই দেশ একে অপরের মুখোমুখি হয়েছে তিনবার এবং সবকটিতেই জয় পেয়েছে টিম ইন্ডিয়া। গত এশিয়া কাপের তিনটি ম্যাচই গিয়েছিল সূর্যকুমার যাদবদের ঝুলিতে। তবে দুই দলের ক্রিকেটারদের একে অপরের সঙ্গে হ্যান্ডশেক না করায় তৈরি হয়েছিল বিতর্ক। এবার দেখার বিষয় যে গতবার যা হয়নি, আগামীকাল তা হয় কিনা। কী হয় শেষ পর্যন্ত, তা দেখা যাবে আগামীকাল।



By














