দেবজিৎ মুখার্জি: শুক্রবার সকালে চাঞ্চল্য ছড়ালো জলন্ধর সহ গোটা পাঞ্জাবে। প্রকাশ্য দিবালাকে হত্যা করা হলো শাসক শিবিরের (আম আদমি পার্টি) এক নেতাকে। ঘটনাকে ঘিরে গোটা এলাকায় ছড়ায় উত্তেজনা। যদিও এই ঘটনায় কাদের হাত রয়েছে বা কি কারণে এমনটা ঘটিয়েছে, সেই ব্যাপারে জানার চেষ্টা চলছে পুলিশের তরফ থেকে। পাশাপাশি, তল্লাশি চালানো হচ্ছে দুষ্কৃতিদের খুঁজে বার করার জন্য।
এদিন ঘটনাটি ঘটেছে মডেল টাউন এলাকায়। সেখানকার এক গুরুদ্বারে গিয়েছিলেন লাকি ওবেরয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তিনি যখন গাড়ি পার্ক করে ঘুরে দাঁড়ান, তখন সামনে একটি বাইক থেকে শুরু হয় গুলি চালানো। একটি নয়, দুটি নয়, একেবারে পাঁচ পাঁচটি গুলি চালানো হয় আপ নেতাকে লক্ষ্য করে, যার জেরে তিনি ভয়ংকর জখম হন।
রক্তাক্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়া অবস্থায় আম আদমি পার্টি নেতাকে উদ্ধার করা হয় এবং নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। তবে সেখানেই শেষরক্ষা হয়নি। চিকিৎসকরা লাকি ওবেরয়কে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই ব্যাপারে তাঁরা মুখও খুলেছেন। তাঁদের বক্তব্য, যে পাঁচটি গুলি চালানো হয় তাঁকে লক্ষ্য করে, সেগুলি এমনভাবে তাঁর শরীরের নানা অংশে ঢুকে গিয়েছিল যে প্রায় অসম্ভব ছিল, সেগুলি বার করা।
পুলিশের তরফ থেকেও ঘটনার দ্রুত তদন্তে নামা হয়েছে। ইতিমধ্যেই দুষ্কৃতিদের খুঁজতে শুরু করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডে কে বা কারা যুক্ত বা কি কারণে হত্যা করা হয়েছে শাসক শিবিরের নেতাকে, সেই সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি, শাস্তিরও দাবি তোলা হয়েছে অপরাধীদের। দিনের আলোতে এভাবে হত্যার ঘটনায় বেশ ভয় পেয়েছেন স্থানীয়রা। সমাজমাধ্যমে এই বিষয়ে নিজের বক্তব্য পর্যন্ত তুলে ধরা হয়েছে তাঁদের তরফ থেকে। এবার দেখার বিষয় যে তদন্ত করে কি তথ্য হাতে লাগে। এবার দেখার বিষয় যে এই ঘটনার জল আগামীদিনে কতদূর গড়ায়। এই মুহূর্তে এই প্রশ্নই ঘোরাফেরা করছে পাঞ্জাবের রাজনৈতিক মহলে।



By














