নিউজ ডেস্ক: আসন্ন ২০ ওভারের বিশ্বকাপে পাকিস্তানের ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কট করায় ক্ষুব্ধ আইসিসি। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে যে আগামী মঙ্গলবার বা বুধবার আইসিসি বোর্ডের তরফ থেকে বৈঠক ডাকা হয়েছে এবং প্রাথমিকভাবে যা জানা গিয়েছে, তাতে বিশাল শাস্তির সম্মুখীন হতে পারে পাকিস্তান। অর্থাৎ এবার যে চরম সংকটে পড়তে চলেছে তারা, তা না বললেও চলে।
এবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন পাকিস্তানের অধিনায়ক সালমান আলি আঘা। তবে তিনি যে বক্তব্য তুলে ধরলেন, তাতে স্পষ্ট যে ক্রিকেটারদের হাতে বিষয়টি নেই। বিস্তারিতভাবে বলতে গেলে, তাঁদের যে মতামত রয়েছে, তাঁকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না। ঠিক কী বললেন সালমান? অজিদের বিরুদ্ধে ম্যাচ শেষ হওয়ার পর সাংবাদিক সম্মেলনে বসেন পাক অধিনায়ক এবং সেখানে তিনি জানান যে দলে ক্রিকেটাররা বিশ্বকাপ খেলতে গেলেও, তাঁদের হাতে বিষয়টি নেই। শুধু তাই নয়, তিনি এটাও জানান যে সরকার বা চেয়ারম্যানের তরফ থেকে যে নির্দেশ দেওয়া হবে, সেটা তাঁরা মানতে বাধ্য।
পাক অধিনায়কের বক্তব্য, “অবশ্যই আমরা বিশ্বকাপ খেলতে যাব। কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত আমাদের নয়।” এরপরই বিষয়টি পরিষ্কার করেন সালমান। তিনি বলেন, “কিছু নেই আমাদের হাতে, জেনে রাখবেন।” এরপরই সরকার ও চেয়ারম্যানের নির্দেশের প্রসঙ্গ তোলেন পাক অধিনায়ক। তিনি বলেন, “আমাদের যেই নির্দেশ দেওয়া হবে সরকার ও চেয়ারম্যানের তরফ থেকে, আমাদের মানতে হবে সেটাই। আমরা সেটাই করব, যেটা তাঁরা বলবেন।”
প্রসঙ্গত, ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কট করার বিষয়টি সরকারিভাবে ঘোষণা না করা হলেও পিসিবি সেই পথেই হাঁটবে, বলে খবর। তা জানাজানি হতেই আইসিসির তরফ থেকে দেওয়া হয় বিবৃতি। তাতে লেখা, “সমস্ত দল সমানভাবে টুর্নামেন্টে যোগ দেবে, এটাই যেকোনও আন্তর্জাতিক স্বরের টুর্নামেন্ট আয়োজনের প্রধান ভিত্তি। খেলার আদর্শের বিরোধী বেছে বেছে প্রতিপক্ষ ঠিক করে নেওয়াটা। আইসিসির তরফ থেকে যে টুর্নামেন্টগুলির আয়োজন করা হয়, তা স্বচ্ছতা বজায় রাখার চেষ্টা করে ক্রীড়াক্ষেত্রে। কিন্তু সেই স্বচ্ছতায় আঘাত আনে প্রতিপক্ষ বাছাইয়ের বিষয়টি।”
বিবৃতিতে আরো লেখা, “সমস্ত দেশের সরকারেরই স্বাধীনতা রয়েছে নিজেদের জাতীয় নীতি মেনে চলার। আমরা সেটাকে সম্মানও করি। কিন্তু যেই সিদ্ধান্ত পাক বোর্ডের তরফ থেকে নেওয়া হয়েছে, তার বিশাল প্রভাব পড়বে তাদের নিজেদের ক্রিকেটের উপরই।” এবার দেখার বিষয় যে শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানের কপালে কি লেখা আছে। কি হয় আগামীদিনে, সেটাই এখন একটা বড় প্রশ্ন।



By














