হাফিজুর রহমান: বয়স কম হলনা, বাম জমানার শুরু থেকে ভোট দিছি লংগ্রেসী জামানাও বেশ মনে পড়ে কিন্তু যেভাবে এবার ভোট হল সে অভিজ্ঞতা জীবনে দেখব স্বপ্নেও ভাবিনি, আড়াই লাখ লাখ আধা মিলিটারি মার্চ করে যাচ্ছে সঙ্গে কমব্যাট আরমার্ড কার গনতন্ত্রের উৎসব না বলে যুদ্ধ মনে হচ্ছিল।
এন্টাযার ক্রেডিট পাবে জো হুজুরে নির্বাচন কমিশনার । ধরে আনতে বললে বেঁধে নিয়ে আসে এরকম নির্লজ্জ আমলা এজীবনে দেখিনি ।নিয়ম কানুনের ধার ধারেনা হতে মথা কাটছও,আর যাই হোক বাঙলা মহারাষ্ট্র বা বিহারে নয় এক্ষণে ক্ষমতা দখল শিক্ষা নয় তাই যেন তেন প্রকারে ক্ষমতা চাই তাই হার নিশ্চিত জেনে এক আজব কাণ্ড ঘটিয়েছে এই নির্বাচন কমিশনার sir নিয়ে কেন্দ্রের শোষক দলকে ঘুর পথে সাহায্য করতে নেমে পড়েছে নিয়ম কানুনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে।
প্রথমেই পুরো আদনমিনিস্ট্রেশন এর মাথাদের বদলি করে পছন্দের অমলাদের জয়গমত বসিয়ে দেওয়া হলো। তার পর বেছে বেছে টিএমসির ভোট প্রার্থীদের বাড়ীতে ইডি আধিকারিকরা গেল ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে সময় নষ্ট করা হলো যাতে তারা প্রচার করতে না যেতে পারে। ক্ষমতার দুরোপযোগ একেই বলে। গোটা দিল্লি উড়ে এসে জুড়ে বসল এখানে । দেশসেবক প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে তার দুনম্বর নেতা, ইউপির মুখ্যমন্ত্রী থেকে আসামের মুখ্যমন্ত্রী আরও ছোট বড় সিকি আধুলি নেতারা চষে ফেললো গোটা রাজ্য। ঘৃণ্য ভাষণে ভরে গেলো চারিদিক কিন্তু নির্বাচন কমিশনার কানে তুলো দিয়ে বসে রইলো। বিরোধীদের ব্যাপারে ঠিক উল্টো পান থেকে চুন খসার জো নেই, সংগে সংগে একশন।
মুসলিমদের বিরুদ্ধে ঘৃনা ছড়ানো এক নতুন মাত্রা পেলো ,রোহিঙ্গা , বাংলাদেশী বলে দাগিয়ে দেওয়া হলো লোকে রেকর্ড ভোট দিয়ে প্রতিবাদ করলো। কিন্তু শুরু হলো নতুন খেলা , আমাদের আশঙ্কাকে ঠিক প্রমাণ করে নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে কারও উপস্থিতি ছাড়া ব্যালট বক্স খোলা হলো,খবর পেয়ে মুখ্য মন্ত্রী সেখানে যাবার জন্য গাড়ি নিয়ে বেরুলে বাপের জমিদারি দলের শাখামৃগরা বাধা দিল, আধা সামরিক বাহিনীর কারও দেখা পাওয়া যায়নি। গদি মিডিয়া এক্সিট পোলের নামে সব জায়গায় শোষক দলকে এগিয়ে রাখলেও আমরা যারা মাটির খবর রাখি তারা জানি এবারও চটির বাড়ি খাবে চক্রান্তকারীরা। কিন্তু ফ্যাসিস্ট দলের লাজলজ্জা বলে কিছু নেই ভোটে জিততে তারা কত নিচে নামতে পারে তার অজস্র উদাহরণ দিতে পারি। ট্রেলার দেখলাম ইনডোর স্টেডিয়ামে শোষক শ্রেনীর একতরফা একটিভিটি দেখলাম নির্বাচন কমিশনার হাস্যকর যুক্তি । এই ট্র্যাডিশন চললে আমদের কপালে দুঃখ আছে। তবে আশার কথা এটা বাংলা, বিহার বা মহারাষ্ট্র নয়। ওখানে ওসব চললেও এখানে সেটা সম্ভব নয়। আর একটা দিনের অপেক্ষা। তারপর দেখব চতুর্থবর মুখ্যমন্ত্রী মমতার শপথ না অন্য কিছু…..



By









