দেবজিৎ মুখার্জি: চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে চলে গেল সূর্যকুমার যাদব নেতৃত্বাধীন টিম ইন্ডিয়া। বৃহস্পতিবার তারা ইংল্যান্ডকে পরাজিত করে ফাইনালের টিকিট পাকা করে নিল। যদিও এই জয় একেবারেই সহজ ছিল না তাদের জন্য। মাত্র ৭ রানে ম্যাচ নিজেদের ঝুলিতে তোলে তারা। অর্থাৎ ম্যাচ যে হাড্ডাহাড্ডি হয়েছে, তা না বললেও বোঝা যায়। বিস্তারিতভাবে বলতে গেলে, এদিন দুই দলের ক্রিকেটারদের মধ্যেই চাপ স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল।
বৃহস্পতিবার ম্যাচটি খেলা হয় মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে। এদিন টসে জিতে সূর্যকুমার যাদবদের প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক। নেমেই গত ম্যাচের মতো আগাসি ব্যাটিং করা শুরু করেন সঞ্জু স্যামসন। তবে দ্বিতীয় ওভারে আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান দলের আরেক ওপেনার অভিষেক শর্মা। এদিনও ব্যর্থ হন তিনি। ৯ করে আউট হয়ে যান। এরপর ঈশান কিষানের ব্যাট থেকে ফের এক দুর্দান্ত ইনিংস উঠে আসে। তিনি ৩৯ রান করে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান। সঞ্জু আউট হন ৮৯ রান করে। শিবম দুবে করেন ৪৩। এছাড়া অল্প বলে দৃষ্টি আকর্ষণ করার মতো ইনিংস উপহার দেন হার্দিক পান্ডিয়া ও তিলক বর্মাও। নির্ধারিত ২০ ওভারে ভারত করে ৭ উইকেটে ২৫৩। ইংল্যান্ডের বোলারদের মধ্যে দুটি করে উইকেট তোলেন আদিল রাশিদ ও উইল জ্যাক্স। জোফরা আর্চার পান একটি উইকেট।
জবাবে রান তাড়া করতে নেমে ইংল্যান্ডের শুরুটা ভালো হয়নি। দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই আউট হন ফিল সল্ট। ৮ ওভারের মধ্যেই চারটি উইকেট হারিয়ে ফেলে তারা। এরপরই একটি দুর্দান্ত পার্টনারশিপ গড়েন উইল জ্যাক্স ও জেকব বেথেল। জ্যাক্স প্যাভিলিয়নে ফিরে যান ৩৫ রান করে। অন্যদিকে বেথেল ১০৫ রানের এক দুর্দান্ত ইনিংস খেলে আউট হন। এছাড়া ব্যাট হাতে কেউ তেমন প্রভাব ফেলতে সফল হননি। জোফরা আর্চার শেষ ওভারে একের পর এক ছক্কা হাঁকালেও, তা কাজে আসেনি। কারণ ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল। নির্ধারিত ২০ ওভারে তারা শেষ করে ৭ উইকেটে ২৪৬ রানে। টিম ইন্ডিয়ার বোলারদের মধ্যে দুটি উইকেট তোলেন হার্দিক পান্ডিয়া। এছাড়া একটি করে উইকেট পান আর্শদিপ সিং, জাস্পৃত বুমরাহ, বরুণ চক্রবর্তী ও অক্ষর প্যাটেল। এদিনও ম্যাচের সেরা ঘোষণা করা হয় সঞ্জু স্যামসনকে। এবার ফাইনালে ভারত মুখোমুখি হবে নিউজিল্যান্ডের।



By











