দেবজিৎ মুখার্জি: এবার কি প্রতিশোধের পথে হাঁটতে চলেছে কালীঘাট তৃণমূল? এমনটাই ইঙ্গিত দিলেন দলের অন্যতম বর্ষিয়ান সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। কী বললেন তিনি? তাঁর বক্তব্য, “আশা করি আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে কিছু একটা দেখতে পাবেন।” যদিও কী ঘটবে, সেই ব্যাপারে তিনি কিছু জানাননি। তবে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে বিক্ষুব্ধ সাংসদদের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে কালীঘাট তৃণমূল।
এনসিপিআই সাংসদদের এনডিএ বৈঠকে যোগ দেওয়া নিয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “এরা সকলেই গদ্দার। এত গদ্দার পশ্চিমবঙ্গে একসঙ্গে জন্মায়নি আগে। মিরজাফর একজন বেইমান ছিল, এখানে ২০টা গদ্দার। যেদিন থেকে এনসিপিআইতে গিয়েছে ওরা, সেদিন থেকেই লাগু হয়ে গিয়েছে ডিফেকশন। সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার জন্য আমি পরামর্শ দিয়েছি। এরা ডিফেক্টেড এমপি। তাই যায় আসে না ওরা কোথায় মিটিংয়ে গিয়েছে। ২০ জন মিলে কলকাতায় একটা মিটিং ডাকতে পারেনি। কেউ ঘুরে বেড়াচ্ছে, কেউ বড়বড় কথা বলছে, কেউ হাওয়ায় উড়ছে। কিন্তু সংবিধান অনুসারে, যেদিন থেকে ওরা গিয়েছে, সেদিন থেকে আর নেই মেম্বারশিপ। যদি সুপ্রিম কোর্ট সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে সেটাই সিদ্ধান্ত হবে। দুই-তৃতীয়াশের হিসাবে হয় না। তা আসল পার্টি গেলে হয়।”
তিনি আরও বলেন, “স্পিকার সিদ্ধান্ত নেননি বলে তো বসে থাকতে পারি না আমরা। তাই আমি পরামর্শ দিয়েছি যে সুপ্রিম কোর্টে যান। এবার আমাদের দলের তো বড় বড় আইনজীবী আছে, তারা সিদ্ধান্ত নেবেন।” ২১ জুলাইয়ের পরও বিক্ষুব্ধ বিধায়ক-সাংসদদের জন্য দলের দরজা খোলা আছে কিনা, সেই প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “আশা করি আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে কিছু একটা দেখতে পাবেন। একটু অপেক্ষা করুন। আগামী সপ্তাহ বা তারপরে আসতে হবে আমার কাছে।” শ্রীরামপুর সাংসদ আরও জানান, “অভিষেকের সঙ্গে ফোনে কথা না হলেও মেসেজে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়া উচিত বলে অভিষেকের কাছে আবেদনও করেছি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেকের থেকে সম্মতি এলেই এনসিপিআইয়ের বৈধতা এবং ২০ সাংসদের দলত্যাগ বিরোধী আইন লাগু হওয়ার বিষয় নিয়ে মামলা দায়ের হতে পারে সুপ্রিম কোর্টে।”



By










