দেবজিৎ মুখার্জি: এসএফআই নেত্রী ঐশী ঘোষকে গ্রেফতারের চেষ্টার অভিযোগ ঘিরে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা। তাঁর বক্তব্য, আন্দোলন করতে নামলে তৈরি থাকতে হয় পুলিশি পদক্ষেপের জন্যও। এই মন্তব্যকে ঘিরে সৃষ্টি হয় বিতর্ক। যদিও এর কারণও জানিয়ে দেন তিনি। পাশাপাশি তোলেন তাঁর ছাত্র রাজনীতির কথাও। তিনি স্পষ্ট করে দেন, আন্দোলনকারীরা আইন হাতে নিলে ব্যবস্থা নেবে পুলিশও।
বুধবার রাজ্যসভায় দিল্লিতে সিপিএমের কেন্দ্রীয় দপ্তরে ঐশী ঘোষকে পুলিশের জিজ্ঞেসাবাদ করতে যাওয়া প্রসঙ্গটি তোলেন দলের জন ব্রিট্টাস। তাঁকে সমর্থন করেন কংগ্রেস নেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গে। বিরোধী দলনেতার বক্তব্য, “একটি সর্বভারতীয় দলের দফতরে ঢুকে পুলিশি অভিযান লজ্জাজনক।” এরপরই জবাব দেন জেপি নড্ডা। তাঁর বক্তব্য, “আন্দোলন করতে নামলে তৈরি থাকতে হয় পুলিশি পদক্ষেপের জন্যও। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাই পুলিশের দায়িত্ব। দরকার পড়লে ব্যবস্থা নিতেই হবে।”
নিজের ছাত্রজীবনের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরে জেপি নাড্ডা জানান, “জরুরি অবস্থার সময়ে কংগ্রেস আমলেও আমাকে অনেকবার গ্রেফতার হতে হয়েছিল। ক্লাসরুম থেকেও তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।” তাঁর বক্তব্যের সময়ে হট্টগোল হলেও তিনি থামেননি। ব্রিট্টাসকে নিশানা করে তিনি বলেন, “আন্দোলনকারীরা আইন নিজের হাতে নিলে পুলিশও ব্যবস্থা নেবে। রাজনীতিতে এমন ঘটনা অস্বাভাবিক নয়।” অন্যদিকে জন ব্রিট্টাসের দাবি, “যন্তর মন্তরের আন্দোলনে যোগ দেওয়াই ছিল ঐশী ঘোষের একমাত্র অপরাধ। সেই কারণেই তাঁকে ধরার চেষ্টা হয়েছে। সিপিএমের দফতরে ঢুকেছিল দিল্লি পুলিশ। পুলিশকর্মীরা উর্দি পরেননি।” একই অভিযোগ মল্লিকার্জুন খাড়্গেরও। তিনি বলেন, “এখন গণতন্ত্র ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।”



By










