দেবজিৎ মুখার্জি: জয় দিয়ে সুপার এইট পর্ব শেষ করল এডেন মার্করাম নেতৃত্বাধীন দক্ষিন আফ্রিকা। রবিবার তারা পরাজিত করল জিম্বাবয়েকে। ৫ উইকেটে ম্যাচ নিজেদের ঝুলিতে তোলে তারা। সৌজন্যে বল হাতে বশ-মাফাকার দুর্দান্ত বোলিং এবং ব্যাট হাতে ডেওয়াল্ড ব্রেভিসের অসাধারণ ব্যাটিং। অন্যদিকে, ব্যাট হাতে তেমন দাগ কাটতে না পারলেও বল হাতে মোটামুটি ভালই লড়াই দিয়েছে জিম্বাবয়ে। দক্ষিণ আফ্রিকাকে বেশ কষ্ট করতে হয় জয় পাওয়ার জন্য। ১৮ ওভার অবধি ম্যাচ গড়ায়।
রবিবার ম্যাচটি খেলা হয় দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে। এদিন টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং করা সিদ্ধান্ত নেন জিম্বাবয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। নির্ধারিত ২০ ওভারে তারা তোলে ৭ উইকেটে ১৫৩। সর্বোচ্চ ৭৩ রানের ইনিংস আসে অধিনায়ক সিকান্দার রাজার ব্যাট থেকে। এছাড়া ব্যাট হাতে কেউ তেমন দাগ সফল হননি। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের মধ্যে দুটি করে উইকেট নিজেদের ঝুলিতে তোলেন কর্বিন বশ ও কুয়েনা মাফাকা। এছাড়া একটি করে উইকেট পান জর্জ লিন্ডে, এনরিক নর্কিয়া ও লুঙ্গি এনগিডি।
জবাবে রান তাড়া করতে নেমে ১৮ ওভার শেষ হওয়ার এক বল আগে পাঁচ উইকেট হারিয়ে প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। সর্বোচ্চ ৪২ রানের ইনিংস আসে ডেওয়াল্ড ব্রেভিসের ব্যাট থেকে। এছাড়া ৩১ রানের ইনিংস খেলেন রায়ান রিকেল্টন এবং জর্জ লিন্ডে করেন ৩০। জিম্বাবয়ের বোলারদের মধ্যে তিনটি উইকেট নিজের ঝুলিতে তোলেন দলের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। এছাড়া একটি করে উইকেট পান ব্লেসিং মুজারাব্বানি ও ব্র্যাড এভান্স। ম্যাচের সেরা ঘোষণা করা হয় জিম্বাবয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজাকে।
এবার দেখার বিষয় যে সেমিফাইনালে কেমন পারফর্ম করে দক্ষিণ আফ্রিকা। সুপার এইটের মতো সেমিতেও একই ধরনের আগ্রাসী ক্রিকেট দেখাতে পারে কিনা, সেটাই এখন দেখার। তবে শক্তিশালী অপজিশন থাকার জেরে লড়াই তাদের জন্য সহজ হবে না, তা বলাই বাহুল্য। সেক্ষেত্রে দেখার আগে কি হয়।



By













