দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: রাজ্যে এসআইআর চালু হওয়ার পর থেকেই তা হয়ে উঠেছে বঙ্গ রাজনীতির অন্যতম আলোচনার বিষয়। এখনো এই বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক দরজা অব্যাহত। প্রতিনিয়তই বিজেপি ও কমিশনকে দোষারোপ করে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। অন্যদিকে, বিজেপি আবার পাল্টা শাসক শিবিরের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলে যাচ্ছে। এক কথায় বলতে গেলে, এসআইআর রীতিমতো হইচই ফেলে দিয়েছে গোটা রাজ্যে।
এমন পরিস্থিতিতে শনিবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরের তরফ থেকে প্রকাশ করার কথা রয়েছে লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সি তালিকা। শীর্ষ আদালতের নির্দেশেই তালিকাটি তুলে ধরা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে দেখার বিষয় যে কি দেওয়া আছে তালিকায়। যদিও প্রশ্ন থাকছে যে শনিবারই তালিকা প্রকাশ হচ্ছে নাকি অন্য কোনদিন হবে? আপাতত সেদিকেই নজর থাকবে বঙ্গ রাজনৈতিক মহলের পাশাপাশি সমস্ত রাজ্যবাসী।
প্রসঙ্গত, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথম থেকেই ভোটার লিস্ট সংশোধনের নামে সাধারণ মানুষকে হেনস্থার অভিযোগ তুলেছিলেন। তৃণমূল সুপ্রিমো দাবি করেছিলেন যে ইতিমধ্যেই ৫৮ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে এবং আরো ১ কোটি ৩৬ লক্ষ নাম ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেনসি’র অজুহাতে বাদ দেওয়ার চক্রান্ত চলছে।
বিষয়টির জল গড়ায় শীর্ষ আদালত পর্যন্ত। মামলা দায়ের করা হয় এই ব্যাপারে। গত ১৯শে জানুয়ারি মামলার শুনানিতে আদালতের তরফ থেকে নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দেওয়া হয় যে যেই নামগুলি ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেনসি’র অধীনে রয়েছে, সেই তালিকা প্রকাশ্যে আনতে হবে। এখানেই শেষ নয়, আদালতের আরো নির্দেশ, কার নাম কি কারনে বাদ পড়েছে বা কেন মনে করা হচ্ছে তা অসঙ্গতিপূর্ণ, তাও পরিষ্কার করতে হবে।



By









