দেবজিৎ মুখার্জি: বুধবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর বক্তব্যের পর থ্যাংক-ইউ স্পিচ দেওয়ার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। কিন্তু বুধবার তিনি উপস্থিত হননি, যা ঘিরে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। বিস্তারিতভাবে বলতে গেলে, বিরোধীদের প্রশ্নের মুখে পড়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সহ গোটা ভারতীয় জনতা পার্টি। এই আবহে বৃহস্পতিবার এপস্টেইন প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রীকে খোঁচা দিলেন কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী।
কী বললেন সোনিয়া গান্ধীর কন্যা? বিষয়টির সূত্রপাত হয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডার রাহুল গান্ধীকে নিষ্পাপ শিশু বলে কটাক্ষ করা থেকে। তা নিয়েই প্রিয়াঙ্কা আক্রমণ করেন বিজেপিকে এবং প্রশ্ন করেন যে তারা কি নিয়ে ভয় পাচ্ছে। তখনই এপস্টেইন ফাইলের প্রসঙ্গ ওঠে। তবে প্রিয়াঙ্কা শুধু সেখানেই থেমে যাননি, এর সঙ্গে আরও কটা প্রশ্ন তোলেন।
প্রিয়াঙ্কার আক্রমণ, “কারোর সম্পর্কে কি এভাবে কথা বলা যায়? বলতে দেওয়া উচিত রাহুলকে। কি নিয়ে ভয় পাচ্ছে ওরা? কোন বই থেকে রাহুল কি উদ্ধৃতি দেবে? নাকি ভয় পাচ্ছে এপস্টেইন ফাইল নিয়ে? নাকি আমরা ভারত-মার্কিন যুক্তি নিয়ে প্রশ্ন করবে বলে তারা ভয় পাচ্ছে, যে কারণে ক্ষতির সম্মুখীন হবেন আমাদের দেশের কৃষকরা?”
প্রসঙ্গত, এপস্টেইন ফাইলে ডোনাল্ড ট্রাম্প, বিল গেটসের মতো স্বনামধন্য ব্যক্তিদের সঙ্গে নাম জড়িয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিরও। বিষয়টি নিয়ে জোর রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে বর্তমানে। যদিও নয়াদিল্লির তরফ থেকে রিপোর্ট সম্পূর্ণ খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। বিদেশমন্ত্রকের তরফ থেকে শনিবার জানানো হয়েছে যে রিপোর্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে যা বলা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।
তবে বিরোধীরা এই নিয়ে আওয়াজ তুলেছে। হাত শিবিরের মুখপাত্র প্রশ্ন তুলেছিলেন যে ঠিক কি ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী পরামর্শ করছিলেন এপস্টেইনের মতো এক যৌন অপরাধীর সঙ্গে। এবার দেখার বিষয় যে এর জল কতদূর গড়ায়। আগামীদিনে এই পর্বে আর কি দেখা যাবে? এই প্রশ্নই এখন ঘোরাফেরা করছে জাতীয় রাজনীতিতে। এবার দেখার যে আগে কি হয়।



By










