দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: সম্প্রতি, বাংলার রাজ্যপাল পদ থেকে আচমকা সরে দাঁড়িয়েছেন সিভি আনন্দ বোস, যা ঘিরে তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা। বোস বিষয়টিকে সচেতন সিদ্ধান্ত বলে দাবি করলেও তা সত্যি মানতে নারাজ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ গোটা তৃণমূল কংগ্রেস। ঘাসফুল শিবিরের মতে, এর নেপথ্যে রয়েছে রাজনৈতিক চাপ। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দাবি করেছেন যে অবিচার করা হয়েছে প্রাক্তন রাজ্যপালের সঙ্গে।
এবার সেই দায়িত্ব সামলাবেন রবীন্দ্র নারায়ণ রবি। বৃহস্পতিবার তিনি বাংলার নতুন রাজ্যপাল হিসেবে শপথ নেন। তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল। নিয়ম অনুযায়ী এদিন লোকভবনে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু, স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় সহ আরো অনেকে। যদিও এদিন হাজির ছিলেন না বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বা বঙ্গ বিজেপির অন্যান্য কোনও নেতা।
বলে রাখা প্রয়োজন, নয়া রাজ্যপাল নিয়ে সংঘাতে জড়িয়েছিল কেন্দ্র ও রাজ্য। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, তাঁর সঙ্গে পরামর্শ না করে নতুন রাজ্যপাল কাকে করা হবে, ঠিক করা হয়েছে। ঘাসফুল শিবিরের বক্তব্য, তাঁকে পাঠানোর পেছনে উদ্দেশ্য রয়েছে কেন্দ্রের। অন্যদিকে, এর আগে যখন তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল ছিলেন রবীন্দ্র নারায়ণ রবি, তখন তাঁর সঙ্গে লাগাতার সংঘাত লাগতো সেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনের। জল এই পর্যন্ত গড়ায় যে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে যায় ডিএমকে তাঁকে রাজ্যপাল পদ থেকে সরানোর জন্য। এবার দেখার বিষয় যে বাংলায় কি হয়।



By










