দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: ভোটমুখী বাংলায় রবিবার সায়েন্স সিটির অডিটোরিয়ামে শক্তিস্বরূপা নারী সমাবেশে মঞ্চ থেকে বক্তব্য রাখেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্ত। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অন্নপূর্ণা যাদব। ছিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, মহিলা মোর্চার রাজ্য সভাপতি ফাল্গুনী পাত্র সহ আরো অনেকে। রেখা গুপ্ত দাবি করেন যে দিল্লি থেকে অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে ক্ষমতা থেকে সরানোর পর এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পালা। যদিও ফাঁকা চেয়ার প্রসঙ্গ তুলে পাল্টা কটাক্ষ করা হয় তৃণমূলের তরফ থেকে।
রেখা গুপ্ত বলেন, “দিল্লিতে ছিলেন ভাইয়া (অরবিন্দ কেজরিওয়াল) এবং বাংলায় দিদি। বিদায় জানানো হয়ে গেছে ভাইয়াকে। এবার দিদির পালা।” তবে এখানেই থেমে যাননি তিনি। এরপর দুজনের মধ্যে কি মিল রয়েছে, তাও তুলে ধরেন রেখা গুপ্ত। তাঁর বক্তব্য, “দুজনেই এক। দুজনেই সবেতে নিজেদের নাম চান।” এরপরই তাঁর প্রশ্ন, “টাকাটা মানুষের। অথচ আপনারা তা কেন আটকে রেখেছেন?”
তবে রেখা গুপ্ত গর্জন করলেও গেরুয়া শিবিরের কাছে যে বিষয়টি অস্বস্তিকর ছিল, সেটা হল অডিটোরিয়ামের ফাঁকা চেয়ার। সেটিকে হাতিয়ার করেই তৃণমূলের তরফ থেকে তাদের পাল্টা দেওয়া হয়। ফাঁকা চেয়ারের ভিডিও দেখে ঘাসফুল শিবিরের অন্যতম রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুনাল ঘোষ এই ব্যাপারে বিজেপিকে কটাক্ষ করে বলেন, “কী দরকার সায়েন্স সিটির অডিটোরিয়াম নেওয়ার যদি আধা ফাঁকা থাকে? পুরসভার যেকোনও একটা ওয়ার্ডের কমিউনিটি হল নিলেই হয়ে যাবে। মহিলা সম্মেলন বিজেপির। মঞ্চে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্ত, এ রাজ্যে ওদের দলের বিরোধী নেতা ও সভাপতি। সংখ্যা অনেক ফাঁকা চেয়ারের। সংগঠনের কেমন হাল, তা এর থেকেই বোঝা যাচ্ছে।”
যদিও ফাঁকা চেয়ার প্রসঙ্গে শমীকবাবু জানিয়েছেন, “অনেকে বলছেন বা জিজ্ঞেস করছেন যে ফাঁকা কেন সভা বা হল কেন ভরেনি। আসলে বিষয়টি আমন্ত্রণভিত্তিক যোগদানের।” তাঁর সংযোজন, “আমরা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর কথা শোনার জন্য তাঁকে ডেকে এনেছি। তাই বড় নয় সবার সমস্ত চেয়ার ভরার বিষয়টি।”



By










