দেবজিৎ মুখার্জি, হুগলি: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যুদ্ধক্ষেত্রের চেহারা নিচ্ছে বাংলা। মসনদকে পাখির চোখ করে ঝাঁপিয়ে পড়েছে সকল দল। জোরদার প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে শাসক থেকে বিরোধী, সমস্ত শিবির। সম্প্রতি, সিঙ্গুরের মাটিতে পা রেখে সভা করে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, যা ঘিরে অব্যাহত রাজনৈতিক তরজা। কটাক্ষ ও পাল্টা কটাক্ষের লড়াইতে নেমেছে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পর এবার সিঙ্গুরে সভা করবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী ২৮শে জানুয়ারি সেই সভা হবে। তৃণমূল সুপ্রিমোর এই সভাকে ঘিরে উন্মাদনা তুঙ্গে পৌঁছে গেছে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের। বলা বাহুল্য, সকলেই এখন সেদিনের অপেক্ষা করছেন। তবে শুধু সভা নয়, মঞ্চ থেকে বাংলার বাড়ি প্রকল্পের কিস্তি দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা আশা করছেন যে সেদিন বড় কিছু ঘোষণা করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী।
প্রসঙ্গত, গত রবিবার সিঙ্গুরে সভা করে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে তার আগে স্থানীয় বিজেপি নেতাদের তরফ থেকে প্রচার করা হয়েছিল যে শিল্প নিয়ে তিনি বড় বার্তা দেবেন। কিন্তু তা নিয়ে একটি কথাও শোনা যায়নি প্রধানমন্ত্রীর তরফ থেকে। কেন শিল্প নিয়ে প্রধানমন্ত্রী একটি কথাও বললেন না, তা নিয়ে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে বঙ্গ বিজেপির অন্দরে।
বলে রাখা ভালো, সিঙ্গুর একটি বড় ভূমিকা পালন করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পেছনে। শিল্পের নামে কৃষকদের জমি কেড়ে নেওয়ার বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছিলেন তিনি। সেই জমি ফিরিয়েও দিয়েছিলেন কৃষকদের। আজও রাজনৈতিক মহল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লড়াইয়ের কথা উঠলে এই বিষয়টি তুলে ধরে। এবার দেখার ২৮ তারিখ মুখ্যমন্ত্রী সেখান থেকে কি বার্তা দেন বা বড় ঘোষণা করেন।



By










