দেবজিৎ মুখার্জি, মালদহ: কদিন পরই বাংলার মাটিতে হবে বিধানসভা নির্বাচন। যদিও এখন থেকেই পরিবেশ পাল্টাতে শুরু করেছে রাজ্যে। একাধিক ইস্যুকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি, যার মধ্যে অন্যতম ভিনরাজ্যে (মূলত বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে) হেনস্তা ও মৃত্যুর ঘটনা। কিছুদিন আগেই এই জাতীয় ঘটনাকে ঘিরে রীতিমতো তান্ডব চলেছে মুর্শিদাবাদ জেলার বেলডাঙ্গাতে। সেই রেশ কাটতে না কাটতেই উঠে এলো আরো এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুর খবর।
এবারের ঘটনাস্থল চেন্নাই। মৃত পরিযায়ী শ্রমিকের নাম আলমগির আলম। বয়স ২৯ বছর। তিনি মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরের মশালদহ বাজার এলাকার বাসিন্দা। চেন্নাই থেকে উদ্ধার হয় তাঁর ক্ষতবিক্ষত দেহ। খবর জানাজানি হতেই পরিবারের উপর নেমে আসে শোকের ছায়া। যদিও পরিবারের সদস্যদের মতে আলমগিরকে হত্যা করা হয়েছে। এখনো পর্যন্ত দেহ বাড়িতে এসে পৌঁছায়নি। আর্থিক অবস্থা ভালো নয় বলে পরিবারের তরফ থেকে সাহায্য চাওয়া হয়েছে হরিশ্চন্দ্রপুরের বাসিন্দাদের কাছ থেকে। স্থানীয় প্রশাসনও তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছে।
মৃত পরিযায়ী শ্রমিকের ভাই আবু সামার বক্তব্য, দাদা কাজের জন্য চেন্নাই গিয়েছিলেন। ৯ দিন আগে তাঁর হায়দ্রাবাদ যাওয়ার কথা ছিল অন্য একটি কাজের জন্য। চেন্নাই থেকে হায়দ্রাবাদের ট্রেনে ওঠার আগে স্ত্রী হাবানুর খাতুনের সঙ্গে কথা হয় তাঁর। কিন্তু এরপর থেকে তাঁকে যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না। নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার বিষয়টি স্থানীয় থানায় জানান তাঁর সহকর্মীরা। ৮ দিন পর পাওয়া যায় তাঁর দেহ। চেন্নাইয়ের যে স্টেশন থেকে তাঁর ট্রেন ধরার কথা ছিল হায়দ্রাবাদের, সেটির পরের স্টেশনের কাছাকাছি এলাকায় রেললাইনের ধারে জঙ্গল থেকে দেহ মেলে। তাঁর বাড়ির লোকেরা মনে করছেন যে তাঁকে খুন করা হয়েছে।



By










