দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: আসন্ন বিধানসভা ভোট ঘিরে এমনিতেই রাজ্যের ভোটারদের উত্তেজনা তুঙ্গে পৌঁছে গিয়েছে। দিন যত এগিয়ে আসছে, ততই যুদ্ধের ময়দানের রূপ নিচ্ছে বাংলা। এই পরিস্থিতিতে নতুন মোড় নিল বঙ্গ রাজনীতি? কী হলো এবার? আইনি নোটিস পেলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা রাষ্ট্রমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। মানহানির অভিযোগ তুলে তাঁকে নোটিস পাঠানো হয় রাজ্য পুলিশের প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমারের তরফ থেকে।
ভোটের আগে নানা বিষয়ে উত্তপ্ত বঙ্গ রাজনীতি, যার মধ্যে অন্যতম কয়লা ও গরু পাচারকাণ্ড। এই বিষয়টি নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসলেন বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। কী বলেছেন তিনি? রাজ্য পুলিশের প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমারকে এর মধ্যে জড়িয়ে অপমানজনক মন্তব্য করেন বঙ্গ বিজেপির অন্যতম প্রভাবশালী নেতা। বিষয়টি একেবারেই ভালোভাবে নেননি রাজিব কুমার এবং মানহানি অভিযোগ তুলে আইনি নোটিস পাঠান।
দুই পাতার সেই আইনি নোটিসে লেখা, “সুকান্ত মজুমদারকে ৭ দিনের মধ্যে ক্ষমা চাইতে হবে।” এরপর কি করা হবে তাও জানিয়ে দেওয়া হয় নোটিসে। তাতে লেখা, “নাহলে ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হবে আদালতে রাজিব কুমারের তরফ থেকে।” তবে সুকান্ত মজুমদারও যে চুপ থাকবেন না তা জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। পাল্টা আইনি পথে জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে তাঁর তরফ থেকেও।
রাজিব কুমারের আইনজীবীর বক্তব্য, বিজেপি সাংসদ মাটিগাড়া-নকশালবাড়ির সভা থেকে শুরু করে বেশ কয়েকটি জায়গায় ভুয়ো বক্তব্য তুলে ধরেছেন তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কয়লা ও গরু পাচারকান্ডে রাজিব কুমারের নাম জুড়ে দেন তাঁর পেশাগত সম্মান ও সামাজিক খ্যাতি নষ্ট করার জন্য। শুধু তাই নয়, প্রাক্তন ডিজির আইনজীবী এটাও দাবি করেছেন যে রাজীব কুমার মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে গেছেন এই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ায়। অন্যদিকে, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী নোটিস ডাস্টবিনে ফেলার পরামর্শ দিয়েছেন সুকান্ত মজুমদারকে। এবার দেখার বিষয় যে এর জল কতদূর গড়ায়। ভোটের আগে এই নিয়ে বড়সড় কিছু হয় কিনা, সেটাই এখন একটা বড় প্রশ্ন।



By










