দেবজিৎ মুখার্জি: এই মুহূর্তে ক্রিকেট মহলে অন্যতম আলোচনার বিষয় ইতালি। বৃহস্পতিবার তারা নেপালকে পরাজিত করে গড়েছে ইতিহাস। বিশ্বকাপের মতো বড় প্রতিযোগিতায় তারা নিজেদের প্রথম জয় পেয়েছে। ব্যাটিং-বোলিং দুই বিভাগেই নেপালকে গুনেগুনে দশ গোল দিয়েছে তারা। যেমন বল হাতে আগ্রাসী বোলিং, তেমনি ব্যাট হাতে দুই মস্কা ভাইয়ের মারকুটে ইনিংস। সবমিলিয়ে, এই মুহূর্তে তাদের আত্মবিশ্বাস একেবারে তুঙ্গে পৌঁছে গিয়েছে।
এবার তারা শপথ নিয়েছে ইংল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মতো ক্রিকেটের শক্তিশালী দলগুলিকে পরাজিত করার। জানা গিয়েছে, নেপালকে ১০ উইকেটে পরাজিত করার পর দলের অধিনায়ক ওয়েন ম্যাডসেন দলকে বার্তা দিয়েছেন যে নেপালের বিরুদ্ধে জয় প্রমান করে দিয়েছে যে ইতালি শুধু বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করতে আসেনি। শুধু তাই নয়, তিনি এই বার্তাও দেন যে ইংল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজকেও তারা ছেড়ে কথা বলবে না এবং তাদেরও পরাজিত করার ক্ষমতা রাখে।
মুম্বই থেকে দলের ম্যানেজার রাকবির হাসান ফোনে হেসে হেসে বলছিলেন, “২০ ওভারের বিশ্বকাপে আজ পর্যন্ত কামরান আকমাল ও উমার আকমাল, এই দুই ভাইয়ের সর্বোচ্চ পার্টনারশিপ ছিল। মস্কা ভাইয়েরা সেটা টপকেছে। তৃতীয়টাও আমাদের। স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে ইডেনে ম্যানেন্তি ভাইদের ৭৩ রানের পার্টনারশিপ।” এর সঙ্গে তিনি জানান, “ইডেনে আমরা দিশেহারা হয়ে গিয়েছিলাম আমাদের অধিনায় চোট পাওয়ায়। কিন্তু আজকের পর থেকে আমাদের যারা হালকায় নেবে, তাদের ভুগতে হবে।”
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবারের ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে নেপাল নির্ধারিত ২০ ওভার শেষ হওয়ার তিন বল আগে ১২৩ রানে অলআউট হয়ে যায়। ইতালির বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন কৃষাণ কালুগামাগে। জবাবে রান তাড়া করতে নেমে ১১ ওভার শেষ হওয়ার আগে বিনা উইকেট হারিয়ে প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় ইতালি। দুই মস্কা ভাই অর্ধশতরানের গন্ডি পার করেন। ম্যাচের সেরা ঘোষণা করা হয় কৃষাণ কালুগামাগেকে। এবার দেখার বিষয় পরবর্তী ম্যাচগুলিতে কেমন পারফর্ম করে ইতালি।



By














