নিউজ ডেস্ক: “ব্যক্তিগতভাবে আমার জন্য এটা ভালো ছিল, কিন্তু দলের ফলাফলের জন্য নয়” শ্রীলংকার বিরুদ্ধে ম্যাচের সেরা হয়ে এমনটাই দাবি করলেন পাকিস্তানের তরুণ তারকা ক্রিকেটার সাহিবজাদা ফারহান। কী বললেন তিনি? তাঁর বক্তব্য, এই শতরান পাওয়া তাঁর ভাগ্যে ছিল, কিন্তু দলকে তা জিততে সাহায্য করেনি। তিনি দাবি করেন যে ব্যক্তিগতভাবে তাঁর জন্য এই শতরান ভালো থাকলেও দলের ফলাফলের জন্য ছিল না।
ফারহান বলেন, “প্রথমত, আমার মনে এটা ছিল যে আমরা ভালো করব দল হিসেবে। যেভাবে ফখর খেলছিল, তাতে আমার মনে হয়েছিল যে উনি যদি শতরান হাকাতেন, তাহলে আরো ভালো হতো দলের জন্য। কিন্তু সেটা পাওয়া আমার ভাগ্যে ছিল।” তাঁর সংযোজন, “সত্যি বলতে এই সেঞ্চুরি সাহায্য করেনি দলকে জিততে। আমার জন্য এটা ব্যক্তিগতভাবে ভালো ছিল। কিন্তু ভালো ছিল না দলের ফলাফলের জন্য।”
প্রসঙ্গত, শনিবার ম্যাচটি খেলা হয় শ্রীলংকার পালকেলের পালেকেলে আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে। টসে জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেন শ্রীলংকার অধিনায়ক দাসুন শানাকা। এক দুর্দান্ত ওপেনিং পার্টনারশিপ গড়ে পাকিস্তান। ব্যাট হাতে রীতিমতো বিধ্বংসী ব্যাটিং তুলে ধরা হয় দলের দুই ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান ও ফাখার জামানের ব্যাট থেকে। ১৬তম ওভারে পার্টনারশিপ ভাঙতে সফল হয় শ্রীলংকা। ১৭৬ রানের পার্টনারশিপ হয় দুজনের মধ্যে। যদিও এরপর লাগাতার উইকেট পড়তে থাকে তাদের এবং নির্ধারিত ২০ ওভারে পাকিস্তান শেষ করে ৮ উইকেটে ২১২ রানে। সাহিবজাদা ফারহান করেন ১০০ এবং ফাখার জামান ৮৪। শ্রীলংকার বোলারদের মধ্যে তিনটি উইকেট পান মধুশঙ্কা, দুটি শানাকা এবং একটি চামিরা।
জবাবে রান তাড়া করতে নেমে শ্রীলংকার শুরুটা ভালো না হলেও মাঝে একাধিক পার্টনারশিপ গড়ে তারা, যার ফলে নির্ধারিত ২০ ওভারে তারা শেষ করে ৬ উইকেটে ২০৭ রানে। সর্বোচ্চ ৭৬ রানের ইনিংস আসে দলের অধিনায়ক দাসুন শানাকার ব্যাট থেকে। এছাড়া পবন রথনায়েকে করেন ৫৮। বাকিরা ব্যাট হাতে তেমন দাগ কাটতে সফল হননি। পাকিস্তানের বোলারদের মধ্যে তিনটি উইকেট পান আব্রার আহমেদ। এছাড়া একটি করে উইকেট নিজের ঝুলিতে তোলেন শাহীন আফ্রিদি, নাসিম শাহ ও মহাম্মদ নাওয়াজ। শতরানের ইনিংসের জন্য ম্যাচের সেরা ঘোষণা করা হয় সাহিবজাদা ফারহানকে।



By













