দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: শূন্য থেকে বেরোনোর জন্য এবার কি আসাদুদ্দিন ওয়াইসির দল মিমের হাত ধরতে চলেছে বামেরা? ঘটনাটি কি? সিপিএমের তরফ থেকে নাকি ফোন করা হয়েছে মিমকে। শুধু তাই নয়, সেই ফোন নাকি গিয়েছে দলের রাজ্য সম্পাদক মহাম্মদ সেলিমের ঘনিষ্ঠের তরফ থেকে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের রেগে গিয়েছে শরিক দলগুলি। যদিও গোটা বিষয়টি অস্বীকার করা হয়েছে সেলিমের তরফ থেকে। পাশাপাশি, খোঁচা দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।
বর্তমানে জোট নিয়ে মতপার্থক্য চলছে বাম শিবিরের অন্দরে। কংগ্রেস, আইএসএফ বা হুমায়ুন কবিরের দল জনতা উন্নয়ন পার্টিকে জোটে রাখা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে শরিক দলগুলি। বিষয়টি নিয়ে মতপার্থক্য এই পর্যায়ে যায় যে ফরওয়ার্ড ব্লক বৈঠক পর্যন্ত ছেড়ে চলে গিয়েছিল। যদিও শেষ পর্যন্ত ৩ জন দলই এখন ‘নো লিস্ট’এ চলে গেছে।
এরই মাঝে মিমের কাছে ফোন যাওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছে শরিকরা। কারণ এই মিমের সঙ্গেই জোটের জন্য কথা বলেছিলেন হুমায়ুন কবির আর তাদের কাছেই ফোন গিয়েছে সিপিএমের। পুরো বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মিমের রাজ্য সভাপতি ইমরান সোলাঙ্কি। এই বিষয়ে তিনি বলেছেন, “সভায় ছিলাম যখন ফোন এসেছিল। নিশ্চয়ই ওদের সঙ্গে বসবে এবং জানতে চাইব ওরা কি চায়। কলকাতা, মুর্শিদাবাদ যেখানে চাইবে, সেখানে বসবো।” তবে বামেদের অনেকে মনে করছেন যে সেলিমের সম্মতিতেই ফোন গিয়েছে মিমের কাছে এবং তা ঘিরে ফের ক্ষুব্ধ শরীকরা। যদি ফোনের কথা অস্বীকার করেছেন সেলিম।
অন্যদিকে ঘটনা নিয়ে সিপিএমকে খোঁচা দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুনাল ঘোষ। তিনি বলেছেন, “রাজনৈতিক ভিক্ষুকে পরিণত হয়েছে ওরা। ঘুরছে ভিক্ষাপাত্র নিয়ে।” এরপরই তাঁর কটাক্ষ, “মহাম্মদ সেলিম হুমায়ুনের মন বুঝতে গিয়েছিলেন। সামনেই ১৪ ফেব্রুয়ারি, উনি মন বুঝতে কাজে লাগাচ্ছে ভ্যালেন্টাইন্স ডেকে।” এবার দেখার বিষয় যে এই পর্ব কোথায় গিয়ে শেষ হয়। ১৮ ও ১৯ তারিখে রাজ্য কমিটির বৈঠকে বামেরা এই জোট নিয়ে সমস্যা শেষ করতে পারে কিনা, সেটাই এখন দেখার।



By










