• Home
  • জেলার খবর
  • আইপ্যাক মামলা: সুপ্রিম কোর্টে ইডি হানা নিয়ে হলফনামায় জানালেন মমতা

আইপ্যাক মামলা: সুপ্রিম কোর্টে ইডি হানা নিয়ে হলফনামায় জানালেন মমতা

Image

দেবজিৎ মুখার্জি: আইপ্যাকের অফিস ও সেই সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডি হানা মামলায় মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফ থেকে দায়ের করা হয়েছে ৩৪ পৃষ্ঠার হলফনামা, যাতে গোটা ঘটনা নিয়ে যাবতীয় সবকিছু তুলে ধরা হয়েছে। শুধু তাই নয়, এর সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নও তোলা হয়েছে তৃণমূল সুপ্রিমোর তরফ থেকে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশ্ন তুলেছেন যে বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগেই কেন ইডির তরফ থেকে এমন অভিযান চালানো হল। তৃণমূল সুপ্রিমোর দাবি, পুরো ঘটনাটি সন্দেহজনক। তাঁর অভিযোগ, তখনই তল্লাশি চালানো হয় যখন আইপ্যাকের অফিসে দলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি ছিল। এখানেই শেষ নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরো অভিযোগ, সেই নথিগুলির মধ্যে ছিল আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের খসড়া তালিকাও। তিনি দাবি করেছেন যে ইডিকে ব্যবহার করা হয়েছে বিরোধীদের হেনস্থা করার জন্য। 

তল্লাশি করার সময়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে বেরিয়ে এসেছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছিল। সেই ব্যাপারেও হলফনামায় জানান তিনি। সেই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে তিনি দাবি করেন যে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা কোনও যোগ বার করতে পারেনি প্রতীক জৈন ও কয়লা পাচার কান্ডের মধ্যে। তৃণমূল সুপ্রিমোর অভিযোগ, তল্লাশির নামে গোপনীয়তা ভাঙার চেষ্টা করা হয়েছে ইডির তরফ থেকে। বলে রাখা ভালো, এই হলফনামার পরিপ্রেক্ষিতে এদিন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আইনজীবীরা জানান যে তা খতিয়ে দেখতে সময়ের প্রয়োজন এবং  তা মেনেও আদালত। মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১০ তারিখে।

উল্লেখ্য, গত ৮ জানুয়ারি কয়লা পাচার মামলার তদন্ত করতে আইপ্যাক ও তার কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে হানা দেন ইডি আধিকারিকরা। খবর জানাজানি হতেই দুই জায়গাতেই ছুটে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বেশকিছু ফাইল ও নথি নিয়ে বেরিয়ে আসেন। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার বিরুদ্ধে, কেন্দ্রের নির্দেশে, গোপন নথি চুরির অভিযোগ তোলেন। 

যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করা হয় ইডির তরফ থেকে। একে অপরের দিকে অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের আঙুল তোলে ঘাসফুল ও গেরুয়া শিবির। পথে নেমেও এর প্রতিবাদ জানান তৃণমূল সুপ্রিমো ও দলের অন্যান্য নেতারা। মামলার জল গড়িয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট ও সুপ্রিম কোর্ট, দুই আদালত পর্যন্তই। এবার দেখার আগে কি হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top