দেবজিৎ মুখার্জি: চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমি পর্বে যাওয়ার আসা টিকে রয়েছে সূর্যকুমার যাদব নেতৃত্বাধীন টিম ইন্ডিয়ার। দক্ষিণ আফ্রিকার হাতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ পরাজিত হওয়ার পর এবং জিম্বাবয়ের বিরুদ্ধে ভারতের জয়ের পর, স্কাইদের কাছে অঙ্কটা আর একেবারেই জটিল রইল না। আর চিন্তার প্রয়োজন নেই রান রেট নিয়ে। এবার ইডেনে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারাতে পারলেই সেমিফাইনালের টিকিট কনফার্ম করতে পারবে ‘মেন ইন ব্লু’।
তবে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ম্যাচ জেতার পর মিক্স জোনে একটি বিশেষ মুহূর্তের কথা শেয়ার করেন টিম ইন্ডিয়ার তরুণ তারকা পেসার আর্শদিপ সিং। তিনি জানান যে দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের ম্যাচ মন দিয়ে দেখছিলেন তাঁর পিতা এবং একেক সময় উত্তেজিত হয়ে গিয়ে চিৎকার পর্যন্ত করছিলেন। তরুণ তারকা জানান যে তখন তিনি তাঁর বাবাকে শান্ত থাকতে এবং প্রার্থনা করতে বলেন।
আর্শদিপ সিং বলেন, “আমরা পুরো ম্যাচ দেখিনি। তবে পরিবার আমার সঙ্গেই ছিল হোটেল কক্ষে। যখনই ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটাররা বাউন্ডারি হাকাচ্ছিলেন, তখন গালাগাল দিয়ে উঠছিলেন বাবা। উত্তেজিত হয়ে বলছিলেন কী করছ তোমরা?” তাঁর সংযোজন, “রাগের মাথায় বাবা অনেক কথাই বলছিলেন। তখন আমি ওনাকে বোঝাই এবং বলি শান্ত থাকো। রাগ করো না। উপভোগ করো ম্যাচটা। আশা করি জিতবে প্রোটিয়ারা। তুমি প্রার্থনা করো ওদের জন্য। আমরাও জিতব আমাদের বাকি ম্যাচগুলো।”
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার ম্যাচটি খেলা হয় আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে। এদিন টসে জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেন দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক এডেন মার্করাম। শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। একের পর এক উইকেট পড়তে শুরু করে তাদের। ৯ ওভারের মধ্যেই ৬টি উইকেট হারিয়ে ফেলে তারা। ১০ ওভার পেরানোর পরই সপ্তম উইকেট পড়ে যায় উইন্ডিজদের। এরপর এক দুর্দান্ত পার্টনারশিপ গড়েন জেসন হোল্ডার ও রোমারিও শেপার্ড। হোল্ডার আউট হন ৪৯ রানে এবং শেপার্ড অপরাজিত থাকেন ৫২ রানে। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের মধ্যে তিনটি উইকেট পান এনগিডি এবং দুটি করে পান রাবাডা ও বশ।
জবাবে রান তাড়া করতে নেমে ১৭ ওভারের শুরুতেই এক উইকেট হারিয়ে প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। সর্বোচ্চ ৮২ রানে অপরাজিত থাকেন দলের অধিনায়ক এডেন মার্করাম। এছাড়া ডিকক আউট হন ৪৭ রানে এবং রিকেল্টন অপরাজিত থাকেন ৪৫ রানে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলারদের মধ্যে সেই একমাত্র উইকেটটি পান রস্টন চেজ। ম্যাচের সেরা ঘোষণা করা হয় এডেন মার্করামকে।



By














