দেবজিৎ মুখার্জি: এমনিতেই মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের জেরে জ্বালানি সংকটের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে গোটা ভারতবর্ষ, তার উপর এল আরও বড় দুঃসংবাদ। কী সেই চিন্তাজনক খবর? এল নিনোর কারণে আগামী কয়েকমাস বিশাল গরম পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এমনটাই জানানো হলো বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার তরফ থেকে। পাশাপাশি, চাপ পড়বে বর্ষাতেও। যদিও কিছু বিজ্ঞানীর মতে, উচিত নয় এত দ্রুত আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া। তবে অধিকাংশের মতে, গরম বাড়বে ভারতবর্ষে।
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার আপডেট অনুযায়ী, গড়ের চেয়ে বেশি হয়ে গিয়েছে মাটির নিচের তাপমাত্রা মার্চ ও মে মাসে জলবায়ুগত কারণে, যা ইতিমধ্যেই এফেক্ট ফেলছে ভারতে। এমনকি একাধিক জায়গায় তীব্র তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। মৌসম ভবন এল নিনোর চাপের কথা এই মুহূর্তে না মেনে নিলেও এদিন এই পূর্বাভাস দিয়েছে যে আগামী তিনদিন দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ৫-৭ ডিগ্রি বেশি থাকবে উপত্যকা ও হিমাচল প্রদেশের মতো শীত কেন্দ্রিক অঞ্চলগুলিতে। অন্যদিকে, ৪-৬ ডিগ্রি বেশি তাপমাত্রা থাকবে দিল্লি, গুজরাট সহ উত্তর-পশ্চিম ভারতে সমান্তরাল এলাকায়।
ভূ-বিজ্ঞান মন্ত্রকের প্রাক্তন সচিব মাধবন রাজীবনের বক্তব্য, “এল নিনোর চাপ পড়তে পারে মরশুমের দ্বিতীয়ার্ধে। এই মুহূর্তে মাঝারি প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এখনই ঠিক হবে না ভবিষ্যৎবাণী করা। জুন মাসে আরো বেশি করে বোঝা যাবে এর প্রভাব।” বলে রাখা প্রয়োজন, এল নিনো প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে পেরুর পাশে সার্ফেসের ওয়ারমিং হওয়া। এতে সমুদ্রের তাপমাত্রা বাড়ার পাশাপাশি আবহাওয়াতেও পরিবর্তন আসে। ৪-৫ ডিগ্রীও বেড়ে যেতে পারে সমুদ্রের তাপমাত্রা। গোটা বিশ্বের আবহাওয়ায় এল নিনোর প্রভাব পড়ে দুই থেকে সাত বছর অন্তর। এবারের বর্ষায় যদি এর প্রভাব থাকে, তাহলে ঘনত্ব কমবে বৃষ্টির এবং সমস্যায় পড়বেন কৃষকরা।



By













