দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: এসআইআরে নাম বাদ পড়াকে ঘিরে রীতিমতো যুদ্ধের ময়দানের রূপ নেয় মালদার কালিয়াচক। ৭ জুডিশিয়াল অফিসারকে আটক থেকে শুরু করে কনভয়ে হামলা, ভাঙচুর, কালিয়াচক ১ নম্বর ব্লকের সুজাপুর বিধানসভার ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধের মতো ঘটনা ঘটে। পুলিশের তরফ থেকে বিক্ষোভকারীদের লাঠিচার্জ করা হয়। অ্যাকশন মোডে দেখা যায় কেন্দ্রীয় বাহিনীকেও। অবশেষে মাঝরাতে অবরোধ তোলেন বিক্ষোভকারীরা। উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে সকলকে।
এই ঘটনার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়ী করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, তথা বিজেপি সাংসদ, সুকান্ত মজুমদার। নিজের এক্স হ্যান্ডেল থেকে একটি পোস্ট করে ঘটনা সম্পর্কে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন এবং কড়া পদক্ষেপের দাবি তুলে নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
পোস্টে তিনি লেখেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লাগাতার উস্কানি এবং তোষণের রাজনীতির কারণে রাজ্যের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি কোন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছালে, জুডিশিয়াল আধিকারিকদের উপরেও এই ধরনের প্রাণঘাতী আক্রমণ সংঘটিত হয়! প্রথমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঘেরাও, লাগাতার হুমকি, ভীতি প্রদর্শন — তারপর পরিকল্পিতভাবে গাড়িতে আক্রমন। পথে বিভিন্ন স্থানে বাঁশ ফেলে রেখে জুডিশিয়াল আধিকারিকদের গতিরোধের অপচেষ্টা এবং তারপর প্রকাশ্যে ইট-পাথর, লাঠি দিয়ে গাড়ি ভাঙচুর!”
তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমোকে দায়ী করে তিনি আরো লেখেন, “আর এই সমস্ত কিছুর জন্য দায়ী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উস্কানি, যা তিনি প্রকাশ্যে প্রতিনিয়ত চালিয়ে গেছেন। আজকের এই অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য নিজের সাংবিধানিক আসনের নূন্যতম মর্যাদা না রেখে তিনি ক্রমশ উস্কানি দিয়ে গেছেন তোষণের রাজনীতি করার জন্য। এই গুরুতর ঘটনার প্রেক্ষিতে অবিলম্বে কঠোর ও উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আমি ভারতের নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।“ প্রসঙ্গত, এই ব্যাপারে কমিশনের তরফ থেকে রিপোর্ট তলব করা হয়েছে রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্তের কাছে।



By










