দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: “দলে আর কোন গদ্দারকে নেবেন না” ধর্মতলায় ধরনা মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে অনুরোধ তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ষীয়ান সাংসদ, তথা বিশিষ্ট আইনজীবী, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কী বললেন তিনি? তাঁর বক্তব্য, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে দলে যাঁরা আছেন, তাঁরাই শুধু থাকবেন। এখানেই শেষ নয়, বর্ষিয়ান সাংসদ এও জানান যে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা, তথা বিজেপি বিধায়ক, শুভেন্দু অধিকারী দলে ফিরতে চাইলেও মেরে ভাগাতে হবে।
সম্প্রতি, প্রকাশিত হয়েছে এসআইআরের অসমাপ্ত চূড়ান্ত তালিকা। তাতে দেখা গিয়েছে যে বাদ গিয়েছে প্রায় ৬৪ লক্ষ ভোটারের নাম। এখানেই শেষ নয়, আন্ডার অ্যাডজুডিকেশনের তালিকায় রয়েছেন ৬০ লক্ষেরও বেশি ভোটার। বিষয়টি জনসম্মুখে আসতেই তীব্র কটাক্ষ করা হয় শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের তরফ থেকে ঘোষণা করে দেওয়া হয় যে শুক্রবার, ৬ মার্চ, প্রতিবাদ জানাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যান্য প্রভাবশালী নেতারা ধর্মতলায় ধরনায় বসবেন।
ঘোষণা অনুযায়ী শুক্রবার ধর্মতলায় মেট্রো চ্যানেলে ধরনা মঞ্চে উপস্থিত হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছিলেন দলের একাধিক প্রভাবশালী নেতা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও। মঞ্চ থেকে তিনি গেরুয়া শিবির ও নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করেন। শনিবার ধরনার দ্বিতীয় দিন। এদিনও মঞ্চ থেকে একের পর এক ইস্যু তুলে বিজেপিকে আক্রমণ করেন তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ষীয়ান সাংসদ, তথা বিশিষ্ট আইনজীবী, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, এদিন ফের মঞ্চ থেকে শুভেন্দু অধিকারীকে আক্রমণ করেন তিনি।
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে মঞ্চ থেকে অনুরোধ করে বলেন, “দলে আর কোনও গদ্দারকে নেবেন না।” বর্ষিয়ান নেতার বক্তব্যে হাত নেড়ে সম্মতি জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “দিদি বলেছে দলে আর জায়গা দেওয়া হবে না কোনও গাদ্দারকে। আসবে না কোনও গাদ্দার। তৃণমূলে যাঁরা আছেন ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে, তাঁরাই শুধু থাকবেন। এছাড়া নতুন প্রজন্ম বা রাজনীতিতে যাঁরা নতুন করে আসতে চান, তাঁরা আসবে।” এরপরই বিজেপি ও শুভেন্দু অধিকারী প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “দলে কেউ আসবে না বিজেপির। মেরে ভাগাতে হবে যদি শুভেন্দু অধিকারী আসতে চায়।”



By










