দেবজিৎ মুখার্জি: ভোটের দিন যতো এগিয়ে আসছে, তত উত্তেজনার পারদ চড়ছে পশ্চিমবঙ্গের ভোটারদের। মসনদ দখলের লড়াইয়ে শেষ হাসি কোন দল হাসবে, এই প্রশ্ন এই মুহূর্তে ঘোরাফেরা করছে রাজ্য রাজনীতিতে। তবে ভোট ঘোষণা হওয়ার পরই আসে চাঞ্চল্যকর মোড়। রাতারাতি বদল করা হয় মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবকে। এখানেই শেষ নয়, সোমবার পুলিশ প্রশাসনেও একাধিক বদল ঘোষণা করা হয় কমিশনের তরফ থেকে।
এর প্রতিবাদ জানান তৃণমূল কংগ্রেসের প্রভাবশালী সাংসদরা। রাজ্যসভা থেকে ওয়াকআউট করেন ঘাসফুল শিবিরের সাংসদরা। রাজ্যসভায় দলের দলনেতা ডেরেক ও ব্রায়েন এই বিষয়ে ক্ষোভ উগরে দেন। পাশাপাশি, তীব্র সমালোচনা করেন শতাব্দী রায়ও। তাঁরা দুজনেই দাবি করেন যে ক্ষমতার অপব্যবহার করা হয়েছে। তবে জয় নিয়ে তাঁরা আশাবাদী।
ডেরেক ও ব্রায়েনের বক্তব্য, “গভীর রাতে নির্বাচন কমিশনে সরিয়ে দিয়েছে মুখ্যসচিব, প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি ও স্বরাষ্ট্রসচিবকে। তারা সর্বোচ্চ ক্ষমতা প্রয়োগ করছে তাদের।” অন্যদিকে, শতাব্দী রায়ের বক্তব্য, “ভোটে জেতার জন্য বিজেপি সব কৌশল নিচ্ছে। তারা অপব্যবহার করছে সরকারি সম্পদের। সেই কারণে অপসারণ করা হয়েছে মুখ্যসচিবকে। তৃণমূল কংগ্রেসের সাথে জনগণ আছে।” এবার দেখার যে এই পর্বে আগামীদিনে আর কি হয়। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে বড়সড় কিছু করা হয় কিনা, সেটাই একটা বড় প্রশ্ন।



By










