দেবজিৎ মুখার্জি: প্রায় ১ মাস হতে যায় না ফেরার দেশে চলে গিয়েছেন মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার। কিন্তু এখনো সেই শোক মহারাষ্ট্রের বহু নেতা থেকে শুরু করে নাগরিকদের একাংশ, কাটিয়ে উঠতে পারেননি। তাঁরা মেনেই নিতে পারছেন না যে অজিত পাওয়ার আর তাঁদের মধ্যে নেই। তাঁর মৃত্যুকে ঘিরে যে রহস্য তৈরি হয়েছিল, এবার তাতে এলো নতুন মোড়। মঙ্গলবার স্ত্রী সুনেত্রা পাওয়ারের তরফ থেকে সিবিআই তদন্তের দাবি জানানো হয়েছিল। এরপরই অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রক জানায় যে আগুনে ক্ষতি হওয়া বিমানের ব্ল্যাকবক্স থেকে তথ্য উদ্ধার করা যাচ্ছে না এবং এর জন্য সাহায্য নেওয়া হচ্ছে বিশেষজ্ঞদের।
জানুয়ারি মাসের ২৮ তারিখে বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় অজিত পাওয়ারের। তার পরের দিনই সেখান থেকে পাওয়া যায় বিমানের ব্ল্যাকবাক্স। কী কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটে, তা জানতে তদন্ত শুরু করা হয় এআইবির তরফ থেকে। কদিন আগে এই কেন্দ্রীয় মন্ত্রক জানিয়েছে যে বিমানে দুটি ফ্লাইট রেকর্ডার ছিল – ডিজিটাল ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার ও ককপিট ভয়েস রেকর্ডার। দুর্ঘটনার জেরে ব্যাপক ক্ষতি হয় দুটি যন্ত্রেরই। তবে যেহেতু তা তৈরি করার পেছনে হাত রয়েছে মার্কিন সংস্থার, তাই সেখানকার এক্সপার্টদের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। যদিও এআইবি ল্যাবে একাধিক তথ্য ডাউনলোড করা গিয়েছে এল ৩ কমিউনিকেশনসের তৈরি করা ডিজিটাল ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার থেকে।
তবে মঙ্গলবার মহারাষ্ট্রের বর্তমান উপমুখ্যমন্ত্রী, তথা অজিত জায়া, সুনেত্রা পাওয়ার সিবিআই তদন্তের দাবি তুলেছিলেন। তিনি ও এনসিপির প্রবীণ নেতারা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশের সঙ্গে দেখা করে নিজেদের কথা তুলে ধরেন। যদিও এই ব্যাপারে আগেও প্রশ্ন তুলেছিলেন অজিত পাওয়ারের ভাগ্নে, তথা তাঁর দলের বিধায়ক, রোহিত পাওয়ার। কেন ধীরে তদন্ত হচ্ছে, সেই ব্যাপারে তিনি প্রশ্ন তোলেন। তারপর সিবিআই তদন্তের দাবি উঠতেই এমন তথ্য উঠে এলো। এবার দেখার বিষয় যে আগামীদিনে অজিত পাওয়ারের মৃত্যুকে ঘিরে আর কি তথ্য উঠে আসে।



By













