দেবজিৎ মুখার্জি: “পড়ুয়াদের ঢাল বানিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা তোলার চেষ্টা” কংগ্রেস সাংসদ, তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা, রাহুল গান্ধীকে পাল্টা দিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তবে তিনি একা নন, রাহুল সহ গোটা কংগ্রেসের নিন্দা করেছেন বিজেপি সভাপতি নিতিন নবীন। তাঁর মতে, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের বাইরে কংগ্রেস যা করেছে, তা জাতীয় রাজনীতির ইতিহাসে এক কালো দিন।
মঙ্গলবার ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) সমর্থনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে ধরনায় বসে কংগ্রেস। দুপুরে দলীয় নেতা-কর্মীরা জড়ো হন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের বাসভবনের সামনে। সেখান থেকে মিছিল শুরু হয় ৭, লোক কল্যাণ মার্গের উদ্দেশ্যে। সেখানে যোগ দেন সপা প্রধান অখিলেশ যাদবও। এরপরই নামোর বাসভবনের বাইরে মজবুত করা হয় নিরাপত্তা এবং মোতায়েন করা হয় অজস্র পুলিশ। শুধু তাই নয়, র্যাফ পর্যন্ত নামানো হয়। বিক্ষোভকারীদের দাবি, অবিলম্বে ইস্তফা দিতে হবে মোদি-শাহকে। তোলা হয় স্লোগানও।
ঘটনাস্থলে গিয়ে রাগার সঙ্গে দেখা করেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। কিন্তু তিনি আশ্বাস দেওয়া সত্ত্বেও মোদির বাসভবনের বাইরে সারারাত ধরনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় হাত শিবিরের তরফ থেকে। এরপরই আন্দোলনকারীদের সরাতে উঠেপড়ে লাগে দিল্লি পুলিশ। কার্যত ধস্তাধস্তি লেগে যায় দু’পক্ষের মধ্যে। পুলিশ ভ্যানে তোলা হয় রাহুল, অখিলেশ, প্রিয়াঙ্কা সহ আরো অনেককে। পরে সকলকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
গোটা ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান এবং বিজেপি সভাপতি নিতিন নবীন। এক্স হ্যান্ডেলে ধর্মেন্দ্র প্রধান লেখেন, “সমাধানের পরিবর্তে কংগ্রেস সংসদে গোলমাল পাকিয়ে নিষ্ফলা করেছে বাদল অধিবেশনকে। সরকার নিট ইস্যুতে আলোচনার জন্য তৈরি জানালেও প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের বাইরে ধর্নায় বসেছিল কংগ্রেস। রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেস সংসদের বাদল অধিবেশনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের নির্লজ্জভাবে রাজনৈতিক হাতিয়ার করেছে।” অন্যদিকে নীতিন নবীনের বক্তব্য, নিঃসন্দেহে দুর্ভাগ্যজনক। ভারতীয় রাজনীতির ইতিহাসে এটি একটি কালো দিন।”



By










