দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: “মুখোশ খুলে দেব” ২১শে জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে হুঁশিয়ারি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কী বললেন তিনি? শুভেন্দু অধিকারীর তৃণমূলে থাকার সময়ের প্রসঙ্গে টেনে তাঁর হুশিয়ারি, তিনি মুখ খুললে শুভেন্দু অধিকারী ১০ বছর থেকে কী করেছেন, তার মুখোশ খুলে দেবেন। পাশাপশি দলীয় প্রতীক প্রসঙ্গে ঋতব্রত শিবিরকেও একহাত নেন তিনি।
এবারের ২১শে জুলাই শহীদ দিবস সভাকে ঘিরে তৈরি হয় নানা বিতর্ক। একদিকে পরাজিত হওয়ার পর দুই ভাগে ভাগ হয়ে গিয়েছে গোটা তৃণমূল – কালীঘাট তৃণমূল এবং ঋতব্রত তৃণমূল। দুই শিবিরই পৃথক জায়গায় সভা করছে। মমতাপন্থীরা করবেন বিড়লা প্লানেটরিয়ামের সামনে। অন্যদিকে ঋতপন্থীরা করবেন গান্ধী মূর্তির পাদদেশে।
যদিও সভার অনুমতি পেতে গিয়ে নানা বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। অবশেষে আদালতের তরফ থেকে এই কর্মসূচির অনুমতি মেলে বিড়লা প্লানেটরিয়ামের সামনে। যদিও সভার আগের রাতে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে মঞ্চ ভাঙার অভিযোগ তোলেন কালীঘাটপন্থীরা। সারারাত পাহারা দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ দলের একাধিক নেতা-নেত্রী।
মঙ্গলবার সভা থেকে কর্মীদের উদ্দেশ্যে বার্তা দেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নাম না করে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, “আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা নয়, শুধু তৃণমূলের কোল খালি করা হচ্ছে। আপনি ১০ বছর তৃণমূলে থেকে কী করেছেন মুখ খুললে, মুখোশ খুলে দেব।” পাশাপশি প্রতীক ‘বাঁচাতে’ আইনি লড়াইয়ের কথাও বলেন তিনি। ঋতব্রত শিবিরকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, “তুমি প্রতীক কাড়লে, ছাড়ব না আমি। আমাদের প্রতীক কাড়তে পারে না। গায়ের জোরে করছে। আমি সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত যাব। নাহলে সবটা কেড়ে নেব তোমাদেরও।”



By










