দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: কালীঘাট তৃণমূলের পর এবার বিজেপির বিরুদ্ধে ২১শে জুলাই কর্মসূচি পালনে বাধা সৃষ্টির অভিযোগ তোলা হলো হাত শিবির, ওরফে কংগ্রেসের তরফ থেকে। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের অভিযোগ, রাজ্যের নানা প্রান্তে কংগ্রেস নেতা-কর্মীদের বাধা দেওয়ার পাশাপাশি তাঁদের উপর হামলা চালানো হচ্ছে। তবে এতকিছুর পরও দলীয় কর্মীরা শহরে আসছেন বলেও তিনি জানিয়েছেন।
এবারের বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের মুখ দেখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। তাদের ক্ষমতাচ্যুত করে বিজেপি। এরপরই ২১শে জুলাই কর্মসূচি নিয়ে ফের কোমর বেঁধে ময়দানে নামার প্রস্তুতি নেওয়া হয় কংগ্রেসের তরফ থেকে। শহীদ মিনারে সভা করবে তারা। তবে তার আগেই শাসক শিবিরের বিরুদ্ধে বাধা সৃষ্টি অভিযোগ তোলা হয় দলের তরফ থেকে। তাদের অভিযোগ, এই কর্মসূচি দেওয়ার সবরকম চেষ্টা করছে গেরুয়া শিবির।
কংগ্রেসের অভিযোগ, “বিজেপির দুষ্কৃতীরা বাঁকুড়ার বড়জোড়া থেকে আসার পথে কর্মীদের উপরে দুর্গাপুরের মুচিপাড়ায় হামলা চালিয়েছে। বাস ভাঙচুরও করা হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরেও হামলার ঘটনা ঘটেছে। আসানসোল, কুলটি, নিউ ব্যারাকপুর, খড়দহ সহ বিভিন্ন জায়গায় বাস মালিকদের হুমকি দেওয়া হয়েছে যাতে বাস ভাড়া না দেওয়া হয়। অন্ডাল স্টেশনে কর্মীদের ব্যাজ কেড়ে নেওয়া, কাটোয়া স্টেশনে মারধর, দুর্গাপুরে পশ্চিম বর্ধমান জেলা কংগ্রেস সভাপতি দেবেশ চক্রবর্তী সহ দলীয় কর্মীদের উপরে হামলা করা হয়েছে।”
এই প্রসঙ্গে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের বক্তব্য, “যারা তৃণমূলের স্বৈরাচার ও গণতন্ত্রহীনতার কথা বলে এবং ‘ভয় আউট, ভরসা ইন’ বলে ক্ষমতায় এসেছিল, তারা আজ নিজেরাই এতটাই ভয় পেয়েছে কংগ্রেসের জনভিত্তিকে যে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করে কর্মসূচি ভেস্তে দিতে মাঠে নেমেছে। তবে এরপরও দলে দলে কংগ্রেস কর্মীরা কলকাতায় আসছেন।” এবার দেখার বিষয় যে শহীদ মিনারে আয়োজিত এই কর্মসূচি থেকে রাজ্যে ফের প্রভাব ফেলতে পারে কিনা হাত শিবির। কোনও বিশেষ ঘোষণা করা হয় কিনা দলের তরফ থেকে, সেটাই এখন দেখার।



By










