দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: গতবছর অক্টোবরে বাংলায় এসআইআর চালু হওয়ার পর থেকেই উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। তার উপর একের পর এক সাধারন মানুষ থেকে শুরু করে সেলিব্রেটিদের শুনানিতে ডাক পড়ায়, পরিস্থিতি আরো স্পর্শকাতর হয়ে গিয়েছে। এর মাঝেই ছড়ালো আরো চাঞ্চল্য। শুনানিতে ডাক পরল রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা। বিষয়টি জনসম্মুখে আসতে বেশ ক্ষুব্ধ হয়েছেন তাঁর অনুগামীরা। মন্ত্রী নিজেও অবাক হয়েছেন তা জেনে।
রবিবার দুপুর দুটো নাগাদ হাজিরা দিতে হবে শশী পাঁজাকে। জানা গিয়েছে, ২০০২ সালে ভোটার তালিকায় তাঁর নাম থাকলেও অ্যাপে দেখাচ্ছে না। ঘটনা প্রসঙ্গে নিজের অবস্থানে রাজ্যের মন্ত্রী বলেন, “কমিশন কাজটি হুড়হুড়ি করে করাতে গিয়েছে বলে বিএলওদের অ্যাপ, সফটওয়্যার, সবেতেই সমস্যা আছে, যেই কারণে আমার নাম ২০০২ সালের লিস্টে থাকলেও অ্যাপে নেই। ওনারা হয়তো ভেবেছেন যে আমার ক্ষেত্রে জিনিসটা আলাদা ভাবে এসে করে দেবেন। আমি বলছি আমি গিয়ে হাজিরা দেব আর পাঁচজন সাধারণ মানুষের মতোই। আশ্চর্যজনক এটা। অবাক হয়েছি আমি। যখন আমার ডাক পড়েছে, তখন সাধারণ মানুষের তো……। হাস্যকর এটা।”
প্রসঙ্গত, এই মুহূর্তে রাজ্যে এসআইআরের শুনানি পর্ব চলছে। এই পর্যন্ত একাধিক রাজ্যবাসীকে ডাকা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছেন বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। তৃণমূল কংগ্রেস গোড়া থেকেই এর বিরোধিতা করেছিল। দলের নেতাদের বক্তব্য, এভাবে হেনস্থা করা হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। যদিও বিজেপি তৃণমূলের এই অভিযোগকে উড়িয়ে দিয়েছে। বহু জায়গা থেকে অশান্তির চিত্র পর্যন্ত ধরা পড়েছে।
এবার দেখার বিষয় যে এসআইআর করে শেষ পর্যন্ত লাভ করতে পারে কিনা গেরুয়া শিবির। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে এর কি প্রভাব পড়বে? ফায়দা তুলতে পারবে বিজেপি নাকি দাপট অব্যাহত থাকবে ঘাসফুল শিবিরের? তা বলবে সময়। তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে এর ব্যাপক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে ভোটবাক্সে এবং বাজি যেকারোর পক্ষে যেতে পারে।



By










