দেবজিৎ মুখার্জি: বিধানসভার পরিষদীয় দলের পাশাপাশি এবার কার্যত হাতছাড়া হওয়ার পথে সংসদীয় দলও। এই আবহে বিদ্রোহীদের ফের একহাত নিলেন কৃষ্ণনগরের তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্র। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে তিনি এই সংক্রান্ত একটি পোস্ট করেন। তাঁর বক্তব্য, যাঁরা ২০২৪ সালে সংসদে গিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে জিতে, কোনওভাবেই এনডিএর পক্ষে তাঁদের জনাদেশ ছিল না।
নিজের পোস্টে মহুয়া মৈত্র লেখেন, “যাঁরা ২০২৪ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে জিতেছিলেন, সেই রায় ছিল না এনডিএর পক্ষে।” এরপর তাঁদের চ্যালেঞ্জ করে কৃষ্ণনগরের সাংসদের বক্তব্য, “এখন সেই সমস্ত লোভি, স্বার্থপর ও ভীরু বিশ্বাসঘাতকরা, যাদের প্যান্ট হলুদ হয়ে গিয়েছে ভয়, তারা চাইলে যোগ দিতে পারেন বিজেপিতে, তবে আগে পদত্যাগ করুন নিজেদের আসন থেকে এবং ভোটে লড়ুন বিজেপির টিকিটে। দেখা যাক কত বড় বীর আপনারা।”
প্রসঙ্গত, একদিকে যখন দিল্লিতে গান্ধী পরিবারের সাথে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ঠিক তখন অন্যদিকে দলের ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদ লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি দেন এনডিএর অংশ হতে চেয়ে। এনডিএর অংশ হতে চেয়ে সই করেন কাকলি ঘোষদস্তিদার (বারাসত), প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় (হাওড়া), শতাব্দী রায় (বীরভূম), অসিত মাল (বোলপুর), বাপি হালদার (মথুরাপুর), জুন মালিয়া (মেদিনীপুর), জগদীশ বাসুনিয়া (কোচবিহার), কালীপদ সোরেন (ঝাড়গ্রাম), অরূপ চক্রবর্তী (বাঁকুড়া), পার্থ ভৌমিক (বারাকপুর), শর্মিলা সরকার (বর্ধমান পূর্ব), ইউসুফ পাঠান (বহরমপুর), দেব (ঘাটাল), আবু তাহের (মুর্শিদাবাদ), খলিলুর রহমান (জঙ্গিপুর), রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় (হুগলি) সহ আরো অনেকে। বিদ্রোহী সাংসদদের বক্তব্য, আরও বাড়তে পারে তাঁদের সংখ্যা। সেক্ষেত্রে আগামিদিনে জটিলতা তৈরি হতে পারে এই বিষয়ে যে কার দখলে থাকবে তৃণমূলের প্রতীক।



By










