দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: ভোটের ফলাফল ঘোষণার প্রাক্কালে বঙ্গ রাজনীতি উত্তপ্ত স্ট্রংরুম পাহারাকে কেন্দ্র করে। ইভিএম কারচুপির আশঙ্কায় প্রতিবাদে মুখর হয়েছেন রাজ্যের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই আবহে তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমোর আশঙ্কাকে সরাসরি ‘নাটক’ এবং ‘ভোট লুটেরাদের মরা কান্না’ বললেন প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি, তথা বহরমপুর বিধানসভা কেন্দ্রের হাত শিবিরের প্রার্থী, অধীর রঞ্জন চৌধুরী।
অধীর চৌধুরীর বক্তব্য, “সবসময় সিসিটিভিতে মনিটরিং হয় স্ট্রংরুমের ভেতরটা। সিসিটিভি দেখলেই বোঝা যায় সেখানে কী চলছে। জানিনা কেন উনি এই নাটক করছেন। এমন নাটক শুধু ওনাকেই মানায়।” তাঁর সংযোজন, বিগত পঞ্চায়েত নির্বাচনের রাজ্যের নানা জেলায় বিডিও অফিসে ব্যালট লুট হয়েছে সরকারি আধিকারিকদের সাহায্যে। প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনই শুরু হয়েছে ঘাসফুল শিবিরের ব্যালটে ছাপ মেরে বক্সে ঢোকানোর সংস্কৃতি। তিনি বলেন, “রাজ্যবাসীকে বলতে চাই, রাজ্যে ভোট লুটের সবচেয়ে বড় নেত্রী এই মহিলা। ওনার নেতৃত্বে হওয়া নির্বাচনে মনোনয়ন দিতে পারে না মানুষ, সাহস পায় না ভোট দেওয়ার, এমনকি খুন হয় মানুষ।”
অধীর চৌধুরী এও দাবি করেন যে এবার কেন্দ্রীয় বাহিনী ও কমিশনের কড়াকড়ির জেরে ‘ভোট লুটের পথ’ বন্ধ হতে পারে বুঝেই আগাম কারচুপির অজুহাত দিচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আরও বলেন, “যারা বিডিও অফিসের মধ্যে ভোট লুট করে, তাদের আজ ইভিএমের নিরাপত্তা নিয়ে এই মরা কান্না বা কুমিরের কান্না শুনছে না কেউ।”



By










