দেবজিৎ মুখার্জি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: নির্বাচনের আগে মুর্শিদাবাদের বড়সড় ধাক্কা খেলো হাত শিবির। দলের সাংসদ, তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা, রাহুল গান্ধীর সভার ঠিক পরেই ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিলেন ফরাক্কার প্রাক্তন বিধায়ক, তথা কংগ্রেসের কিংবদন্তি নেতা মইনুল হকের ভাইপো ও প্রদেশ কংগ্রেসের দাপুটে সম্পাদক, আসিফ ইকবাল। বুধবার ঘাসফুল শিবিরের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক, তথা ডায়মন্ড হারবার সাংসদ, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে তিনি তৃণমূলের পতাকা তুলে নেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার পৈলানে।
এর আগে দলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্ব সামলেছেন আসিফ। তিনি দলের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নও জমা দিয়েছিলেন ফারাক্কা থেকে। কিন্তু শেষ মুহূর্তে দল তাঁকে প্রতীক না দেওয়ায় তিনি ক্ষুব্ধ হন। এই বিতর্ক শুরু ফরাক্কায় আসিফের পরিবর্তে মহতাব শেখের টিকিট পাওয়া থেকে। প্রথমবার ভোটার তালিকায় মহতাবের নাম না থাকলেও পরে আইনি লড়াই জিতে তাঁর নাম নথিভুক্ত হয় এবং দলের প্রতীক পান তিনি। কংগ্রেসের এই সিদ্ধান্তেই আসিফ অপমানিত বোধ করেন এবং দলত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নেন।
তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য হয়ে আসিফ বলেন, “অনেকদিন বঞ্চনার শিকার হয়েছি দলের মধ্যে। অনেক অপমান সহ্য করেও এতদিন বুকে আগলে রেখেছিলাম দলকে। তবে আর নয়, এবার তৃণমূল কংগ্রেসের হাত ধরলাম উন্নয়নের শরিক হতে।” শাসকদলের মতে আসিফের তৃণমূল কংগ্রেসের যোগদান দলের শক্তি আরও বাড়াবে মালদা-মুর্শিদাবাদ বেল্টে। যদি এখনো পর্যন্ত প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি, তথা বহরমপুরের কংগ্রেস প্রার্থী, অধীর রঞ্জন চৌধুরীর তরফ থেকে এই ব্যাপারে কোনও বক্তব্য মেলেনি।



By










