দেবজিৎ মুখার্জি, কলকাতা: সরস্বতী পুজোকে ঘিরে অশান্তি বেহালার পর্ণশ্রী কলেজে। সন্ধ্যা থেকে হওয়া আলোচনা নেয় সংঘাতের রূপ। বচসা পরিণত হয় হাতাহাতিতে। যদিও স্থানীয় সূত্র মারফত জানা গিয়েছে যে যেই দু’পক্ষের ছাত্রদল হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েছিল, তা তৃণমূল ছাত্র পরিষদেরই। পরিস্থিতি এই পর্যায়ে যায় যে শেষ পর্যন্ত মাঝরাতে ছুটে আসেন তৃণমূল বিধায়ক।
অশান্তি মেটাতে সন্ধ্যায় কলেজে যায় পুলিশ। যাতে পরিস্থিতি আর উগ্র না হয়ে ওঠে, তাই পর্ণশ্রী থানার পুলিশ দু’পক্ষকেই থানায় নিয়ে আসে। খবর পেয়েই সন্ধ্যায় থানায় যান বেহালা পূর্বের বিধায়ক রত্না চট্টোপাধ্যায় এবং দু’পক্ষের বক্তব্য শুনে মিটমাটের পরামর্শ দেন। এদিন ঘাসফুল শিবিরের বিধায়কের বক্তব্য, “আজ পর্যন্ত কেউ শোনেনি যে ১৩১ নম্বর ওয়ার্ডে অশান্তি হয়। কিন্তু একটা বিবাদ তৈরি হয়েছিল সরস্বতী পূজো নিয়ে। তবে সবটাই সন্ধ্যায় মিটিয়ে দেওয়া হয়। এরপর আমি রাত সাড়ে নটার দিকে বাড়ি ফিরে যাই।”
তবে এখানেই সবটা থেমে যায়নি। রাত হতে সংঘাত আরো উগ্র রূপ নেয়। বিধায়কের অভিযোগ, থানা থেকে কয়েকজন যুবক রাস্তায় বেরিয়ে পড়েন তিনি চলে যাওয়ার পর এবং তখন বিক্রম বন্দ্যোপাধ্যায়, ওরফে টট্টর, নামে এলাকার এক নেতার দল হামলা চালায় সেই ছাত্রদের উপর। যদিও রত্না চট্টোপাধ্যায় বিক্রম বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিজেপির লোক বলে দাবি করেছেন।
তাঁর অভিযোগ, পুলিশের সামনেই পান্ডব চলে এবং সেই ছাত্রদের পিটিয়ে আধমরা করে দেয় টট্টরের দল। গুরুতর জখম অবস্থায় দুজন ভর্তি রয়েছে এসএসকেএম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে। টট্টরের বিরুদ্ধে করা পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানোর পাশাপাশি লিখিত অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে রত্না চট্টোপাধ্যায়ের তরফ থেকে। যদিও একাংশ এই ঘটনায় স্থানীয় তৃণমূল নেতা পিকুলের বিরুদ্ধে বেশকিছু অভিযোগ তুলেছেন। তবে সবটাই অস্বীকার করেছেন ঘাসফুল শিবিরের বিধায়ক।



By










